ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যে

দাফনের ২৫ বছর পর কুড়িগ্রামে বাহের আলীর মরদেহ অক্ষত

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • / 238

দাফনের ২৫ বছর পর কুড়িগ্রামে বাহের আলীর মরদেহ অক্ষত

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে প্রায় ২৫ বছর আগে দাফন করা বাহের আলীর মরদেহ অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শনিবার (১৪ জুন) বিকালে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ফকিরের হাট এলাকায় সরকারি অর্থায়নে হাফিজিয়া আলিম মাদরাসার একটি ভবন নির্মাণের জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে ওই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদরাসার মাঠে ভেকু (এস্কেভেটর) দিয়ে খননকালে মাটি ভেঙে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাদা কাপড় মোড়ানো মরদেহটি সামনে আসে। খবর পেয়ে এলাকাবাসী মরদেহটি উদ্ধার করেন এবং স্থানীয় আলেমদের পরামর্শে ফকিরের হাট মসজিদের পাশে একটি সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, মরদেহটি বাহের আলীর, যিনি খারুয়ার পাড়ার আতিম শেখের ছেলে। আতিম শেখ ছিলেন ওই মাদরাসার জমি দাতা এবং দপ্তরি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বাহের আলী প্রায় ২৫ বছর আগে মৃত্যুবরণ করে মাদরাসার পেছনে তাকে দাফন করা হয়েছিল।

চিলমারী মডেল মসজিদের খতিব মামুনুর রশীদ বলেন, “হাদিস ও নবীজীর ঐতিহাসিক ঘটনা অনুযায়ী, যারা আল্লাহর প্রিয় বান্দা বা শহীদ হন, তাদের মরদেহ দীর্ঘদিন অক্ষত থাকতে পারে। এই ঘটনা আমাদের জন্য শিক্ষণীয়। তবে শুধু অক্ষত থাকার কারণে কেউ শতভাগ প্রিয় বান্দা বা শহীদ বলে ধরে নেয়া যায় না, এ ব্যাপারে আল্লাহই সর্বোত্তম জ্ঞাতা।”

এই ঘটনা এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যে

দাফনের ২৫ বছর পর কুড়িগ্রামে বাহের আলীর মরদেহ অক্ষত

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে প্রায় ২৫ বছর আগে দাফন করা বাহের আলীর মরদেহ অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শনিবার (১৪ জুন) বিকালে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ফকিরের হাট এলাকায় সরকারি অর্থায়নে হাফিজিয়া আলিম মাদরাসার একটি ভবন নির্মাণের জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে ওই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদরাসার মাঠে ভেকু (এস্কেভেটর) দিয়ে খননকালে মাটি ভেঙে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাদা কাপড় মোড়ানো মরদেহটি সামনে আসে। খবর পেয়ে এলাকাবাসী মরদেহটি উদ্ধার করেন এবং স্থানীয় আলেমদের পরামর্শে ফকিরের হাট মসজিদের পাশে একটি সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, মরদেহটি বাহের আলীর, যিনি খারুয়ার পাড়ার আতিম শেখের ছেলে। আতিম শেখ ছিলেন ওই মাদরাসার জমি দাতা এবং দপ্তরি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বাহের আলী প্রায় ২৫ বছর আগে মৃত্যুবরণ করে মাদরাসার পেছনে তাকে দাফন করা হয়েছিল।

চিলমারী মডেল মসজিদের খতিব মামুনুর রশীদ বলেন, “হাদিস ও নবীজীর ঐতিহাসিক ঘটনা অনুযায়ী, যারা আল্লাহর প্রিয় বান্দা বা শহীদ হন, তাদের মরদেহ দীর্ঘদিন অক্ষত থাকতে পারে। এই ঘটনা আমাদের জন্য শিক্ষণীয়। তবে শুধু অক্ষত থাকার কারণে কেউ শতভাগ প্রিয় বান্দা বা শহীদ বলে ধরে নেয়া যায় না, এ ব্যাপারে আল্লাহই সর্বোত্তম জ্ঞাতা।”

এই ঘটনা এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।