ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খুলনায় মরা গরুর মাংসসহ দুইজন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৬:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • / 233

খুলনায় মরা গরুর মাংসসহ গ্রেপ্তার দুইজন

খুলনায় বিক্রির উদ্দেশ্যে আনা চার মণ ৩০ কেজি মরা গরুর মাংসসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর গল্লামারী এম এ বারী সড়কে চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় মাংসবাহী একটি পিকআপ ভ্যানও জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার নিকারীপাড়া জলিলপুর এলাকার মো. মমিন (পিতা: আব্দুল লতিফ) এবং খুলনার সোনাডাঙ্গা থানাধীন আল আমিন মহল্লার তামিম হাওলাদার (পিতা: সোহেল হাওলাদার)।

সোনাডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এএসআই মো. আলিম হোসেন গল্লামারী এলাকায় তল্লাশি চালানোর সময় একটি সন্দেহজনক পিকআপ আটক করেন। চালক মমিন জানায়, গাড়িতে গরুর মাংস রয়েছে। পরে দেখা যায়, পলিথিনে মোড়ানো চার মণ ৩০ কেজি মাংস অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রাখা রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে মমিন জানান, মাংসটি চুয়াডাঙ্গা থেকে এনে তামিম হাওলাদারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। তামিমকে ঘটনাস্থলে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি মাংসের প্রকৃত মালিক হিসেবে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সাহারেজ হোসেনের নাম জানান।

পুলিশ জানায়, গরুটি আগের দিন সন্ধ্যায় স্ট্রোক করলে সেটিকে জবাই করা হয় এবং পরে ৬৩ হাজার টাকায় মাংস বিক্রি করা হয়। রাত ৩টার দিকে তা খুলনায় আনা হচ্ছিল।

তদন্তে আরও জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা বিভিন্ন জায়গা থেকে মৃত বা রোগাক্রান্ত গরুর মাংস সংগ্রহ করে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন হোটেলে সরবরাহ করতেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির বিষয়ে খাদ্য নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে। জব্দকৃত মাংসের এক কেজি নমুনা পরীক্ষার জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং বাকি অংশ আদালতের নির্দেশে ধ্বংস করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

খুলনায় মরা গরুর মাংসসহ দুইজন গ্রেপ্তার

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৬:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

খুলনায় বিক্রির উদ্দেশ্যে আনা চার মণ ৩০ কেজি মরা গরুর মাংসসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর গল্লামারী এম এ বারী সড়কে চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় মাংসবাহী একটি পিকআপ ভ্যানও জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার নিকারীপাড়া জলিলপুর এলাকার মো. মমিন (পিতা: আব্দুল লতিফ) এবং খুলনার সোনাডাঙ্গা থানাধীন আল আমিন মহল্লার তামিম হাওলাদার (পিতা: সোহেল হাওলাদার)।

সোনাডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এএসআই মো. আলিম হোসেন গল্লামারী এলাকায় তল্লাশি চালানোর সময় একটি সন্দেহজনক পিকআপ আটক করেন। চালক মমিন জানায়, গাড়িতে গরুর মাংস রয়েছে। পরে দেখা যায়, পলিথিনে মোড়ানো চার মণ ৩০ কেজি মাংস অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রাখা রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে মমিন জানান, মাংসটি চুয়াডাঙ্গা থেকে এনে তামিম হাওলাদারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। তামিমকে ঘটনাস্থলে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি মাংসের প্রকৃত মালিক হিসেবে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সাহারেজ হোসেনের নাম জানান।

পুলিশ জানায়, গরুটি আগের দিন সন্ধ্যায় স্ট্রোক করলে সেটিকে জবাই করা হয় এবং পরে ৬৩ হাজার টাকায় মাংস বিক্রি করা হয়। রাত ৩টার দিকে তা খুলনায় আনা হচ্ছিল।

তদন্তে আরও জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা বিভিন্ন জায়গা থেকে মৃত বা রোগাক্রান্ত গরুর মাংস সংগ্রহ করে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন হোটেলে সরবরাহ করতেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির বিষয়ে খাদ্য নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে। জব্দকৃত মাংসের এক কেজি নমুনা পরীক্ষার জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং বাকি অংশ আদালতের নির্দেশে ধ্বংস করা হবে।