ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ চাওয়া সেই এসআই বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, নাটোর
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:১০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 330

এসআই আবু জাফর মৃধা

নাটোরে একটি মামলা থেকে আমেরিকা প্রবাসীর নাম বাদ দেওয়ার বিনিময়ে ৫ লাখ টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে গুরুদাসপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু জাফর মৃধা সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। নাটোর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আমজাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, আমেরিকা প্রবাসী রাসেল হোসাইন ধারাবারিষা ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রবিউল করিমের ছেলে। গুরুদাসপুর পৌরসদরের চাঁচকৈড় বাজারে রুবেল মোল্লাকে মারধরের একটি ঘটনার পর রুবেলের বাবা রাসেল হোসাইন তাকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই জাফর মৃধা।

তদন্তের অংশ হিসেবে এসআই জাফর মৃধা চাঁচকৈড় বাজারে প্রবাসীর দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যান এবং সেখানে ম্যানেজার গোলাম রাব্বির সঙ্গে কথা বলেন। ওই সময় তিনি প্রবাসীর নাম মামলায় থেকে বাদ দেয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ চাওয়ার কথা জানান। পরে ২ জুন ফোনে এই দাবি পুনরায় জানানো হয়।

ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত হলে ব্যাপক সমালোচনা হয়। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় কর্তৃপক্ষ এসআই জাফর মৃধাকে সাময়িক বরখাস্ত করে নাটোর সদরের পুলিশ লাইনে পাঠিয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

গুরুদাসপুর থানার ওসি আসমাউল হক বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এসআই জাফর মৃধাকে কর্মস্থল থেকে সরিয়ে নাটোর সদরের পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

নাটোর জেলা পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন বলেন, “পুলিশ সদস্য হিসেবে ঘুষ নেওয়া অত্যন্ত নিন্দনীয় অপরাধ। অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ চাওয়া সেই এসআই বরখাস্ত

সর্বশেষ আপডেট ০১:১০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

নাটোরে একটি মামলা থেকে আমেরিকা প্রবাসীর নাম বাদ দেওয়ার বিনিময়ে ৫ লাখ টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে গুরুদাসপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু জাফর মৃধা সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। নাটোর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আমজাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, আমেরিকা প্রবাসী রাসেল হোসাইন ধারাবারিষা ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রবিউল করিমের ছেলে। গুরুদাসপুর পৌরসদরের চাঁচকৈড় বাজারে রুবেল মোল্লাকে মারধরের একটি ঘটনার পর রুবেলের বাবা রাসেল হোসাইন তাকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই জাফর মৃধা।

তদন্তের অংশ হিসেবে এসআই জাফর মৃধা চাঁচকৈড় বাজারে প্রবাসীর দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যান এবং সেখানে ম্যানেজার গোলাম রাব্বির সঙ্গে কথা বলেন। ওই সময় তিনি প্রবাসীর নাম মামলায় থেকে বাদ দেয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ চাওয়ার কথা জানান। পরে ২ জুন ফোনে এই দাবি পুনরায় জানানো হয়।

ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত হলে ব্যাপক সমালোচনা হয়। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় কর্তৃপক্ষ এসআই জাফর মৃধাকে সাময়িক বরখাস্ত করে নাটোর সদরের পুলিশ লাইনে পাঠিয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

গুরুদাসপুর থানার ওসি আসমাউল হক বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এসআই জাফর মৃধাকে কর্মস্থল থেকে সরিয়ে নাটোর সদরের পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

নাটোর জেলা পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন বলেন, “পুলিশ সদস্য হিসেবে ঘুষ নেওয়া অত্যন্ত নিন্দনীয় অপরাধ। অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।”