ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইসিসির কাছে অভিযোগ দিয়েছি: ফারুক আহমেদ

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:০৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
  • / 359

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সদ্য সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ অভিযোগ করেছেন, তাঁর সঙ্গে ‘অন্যায় আচরণ’ করা হয়েছে এবং তাঁকে ‘জোরপূর্বক’ পদচ্যুত করা হয়েছে। বিষয়টি তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নজরে এনেছেন বলেও জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকাল থেকেই দেশের ক্রীড়াঙ্গনে জোর গুঞ্জন—জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ফারুককে আর বিসিবিতে দেখতে চায় না। আগের রাতেই ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার সঙ্গে বিসিবি সভাপতির বৈঠক সেই ইঙ্গিত বহন করে। এরপর বিসিবি সভাপতি হিসেবে গণমাধ্যমে কথা বলার সময় ফারুক নিজেই স্বীকার করেন, ক্রীড়া পরিষদ তাঁকে আর চায় না।

পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হয় যখন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে পাঠানো বিসিবির আট পরিচালকের অনাস্থা চিঠি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। একই রাতে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ফারুক আহমেদকে বিসিবি সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেয়।

উল্লেখ্য, ফারুক আহমেদ ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়নে বিসিবির কাউন্সিলর হন এবং পরবর্তীতে কাউন্সিলরদের ভোটে বোর্ড সভাপতি নির্বাচিত হন। মনোনয়ন বাতিলের মাধ্যমে তিনি শুধু পরিচালক পদই নয়, হারিয়েছেন বোর্ড সভাপতির দায়িত্বও।

তবে এখানেই থেমে থাকেননি ফারুক আহমেদ। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাটি ইতোমধ্যে আইসিসিকে অবহিত করা হয়েছে। আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর সেক্রেটারির সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছেন তিনি। এমনকি ৫-৭ জন আইসিসি পরিচালকের সঙ্গেও বিষয়টি ভাগ করে নিয়েছেন।

তিনি বলেন, “আমি আনচ্যালেঞ্জড যেতে দেবো না। লড়াই করে যাবো। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়বো। আমার সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। আমি আইসিসিকে জানিয়েছি এবং নিশ্চিত, আইসিসি দ্রুত অ্যাকশন নেবে। আশা করি, ২-১ দিনের মধ্যেই বিসিবির কাছে আইসিসির চিঠি পৌঁছাবে।”

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আইসিসির পক্ষ থেকে কী প্রতিক্রিয়া আসে এবং দেশের ক্রিকেট পরিচালনায় এ ঘটনার কী প্রভাব পড়ে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আইসিসির কাছে অভিযোগ দিয়েছি: ফারুক আহমেদ

সর্বশেষ আপডেট ০১:০৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সদ্য সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ অভিযোগ করেছেন, তাঁর সঙ্গে ‘অন্যায় আচরণ’ করা হয়েছে এবং তাঁকে ‘জোরপূর্বক’ পদচ্যুত করা হয়েছে। বিষয়টি তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নজরে এনেছেন বলেও জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকাল থেকেই দেশের ক্রীড়াঙ্গনে জোর গুঞ্জন—জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ফারুককে আর বিসিবিতে দেখতে চায় না। আগের রাতেই ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার সঙ্গে বিসিবি সভাপতির বৈঠক সেই ইঙ্গিত বহন করে। এরপর বিসিবি সভাপতি হিসেবে গণমাধ্যমে কথা বলার সময় ফারুক নিজেই স্বীকার করেন, ক্রীড়া পরিষদ তাঁকে আর চায় না।

পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হয় যখন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে পাঠানো বিসিবির আট পরিচালকের অনাস্থা চিঠি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। একই রাতে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ফারুক আহমেদকে বিসিবি সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেয়।

উল্লেখ্য, ফারুক আহমেদ ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়নে বিসিবির কাউন্সিলর হন এবং পরবর্তীতে কাউন্সিলরদের ভোটে বোর্ড সভাপতি নির্বাচিত হন। মনোনয়ন বাতিলের মাধ্যমে তিনি শুধু পরিচালক পদই নয়, হারিয়েছেন বোর্ড সভাপতির দায়িত্বও।

তবে এখানেই থেমে থাকেননি ফারুক আহমেদ। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাটি ইতোমধ্যে আইসিসিকে অবহিত করা হয়েছে। আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর সেক্রেটারির সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছেন তিনি। এমনকি ৫-৭ জন আইসিসি পরিচালকের সঙ্গেও বিষয়টি ভাগ করে নিয়েছেন।

তিনি বলেন, “আমি আনচ্যালেঞ্জড যেতে দেবো না। লড়াই করে যাবো। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়বো। আমার সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। আমি আইসিসিকে জানিয়েছি এবং নিশ্চিত, আইসিসি দ্রুত অ্যাকশন নেবে। আশা করি, ২-১ দিনের মধ্যেই বিসিবির কাছে আইসিসির চিঠি পৌঁছাবে।”

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আইসিসির পক্ষ থেকে কী প্রতিক্রিয়া আসে এবং দেশের ক্রিকেট পরিচালনায় এ ঘটনার কী প্রভাব পড়ে।