ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৬৭ বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 237

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ত্রিপলিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) যৌথ উদ্যোগে লিবিয়ার বেনগাজি ও আশপাশের এলাকা থেকে ১৬ জন এবং গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৫১ জনসহ মোট ১৬৭ জন অনিয়মিত বাংলাদেশিকে বৃহস্পতিবার ভোর ৫টায় বুরাক এয়ারের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম-এর কর্মকর্তারা।

প্রত্যাবাসিতদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ইউরোপে যাওয়ার আশায় সমুদ্রপথে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। অনেকে সেখানে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ ধরনের বিপদসঙ্কুল পথে পাড়ি না দিতে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।

আইওএম প্রত্যাবাসিতদের প্রত্যেককে নগদ ছয় হাজার টাকা, খাদ্যসামগ্রী, চিকিৎসা সেবা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করেছে।

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৬৭ বাংলাদেশি

সর্বশেষ আপডেট ০১:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ত্রিপলিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) যৌথ উদ্যোগে লিবিয়ার বেনগাজি ও আশপাশের এলাকা থেকে ১৬ জন এবং গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৫১ জনসহ মোট ১৬৭ জন অনিয়মিত বাংলাদেশিকে বৃহস্পতিবার ভোর ৫টায় বুরাক এয়ারের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম-এর কর্মকর্তারা।

প্রত্যাবাসিতদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ইউরোপে যাওয়ার আশায় সমুদ্রপথে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। অনেকে সেখানে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ ধরনের বিপদসঙ্কুল পথে পাড়ি না দিতে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।

আইওএম প্রত্যাবাসিতদের প্রত্যেককে নগদ ছয় হাজার টাকা, খাদ্যসামগ্রী, চিকিৎসা সেবা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করেছে।

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।