ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আগৈলঝাড়ায় ৭২ ঘন্টার ব্যবধানে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, আগৈলঝাড়া (বরিশাল)
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫
  • / 267

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাত্র ৭২ ঘন্টার ব্যবধানে রুটি ও টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬ ও ৯ বছর বয়সী দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক বখাটের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষককে স্থানীয়রা আটক করে গাছে বেঁধে গণধোলাই দেয় এবং বিক্ষোভ করে।

খবর পেয়ে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তবে পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় উত্তেজিত জনতা।

ভুক্তভোগী এক পরিবারের পক্ষ থেকে আগৈলঝাড়া থানায় মামলাও দায়ের করা হয়েছে, যার মামলা নং- ১৫ (৩০-০৩-২৫)২, ১ (০১-০৪-২৫)। অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুদের টাকা ও রুটির লোভ দেখিয়ে বাড়িতে ডাকার কথা স্বীকার করলেও ধর্ষণের কথা অস্বীকার করেছে এবং এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে ভালো হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শামীম হোসেন নিক্সন জানান, অভিযুক্ত আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে এর আগেও চুরি ও নারীদের শ্লীলতাহানির একাধিক অভিযোগ ছিল। তবে প্রভাবশালী স্বজনদের কারণে প্রতিবারই নামমাত্র বিচারে মুক্তি পেয়ে সে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রথমে সামাজিক মান-সম্মানের কথা ভেবে ঘটনাটি গোপন রেখেছিলেন। তবে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় তারা বিচার দাবি করেন। পরে আব্দুর রহমানকে আটক করে গণধোলাই দেওয়া হয় এবং গাছে বেঁধে রাখা হয়, পরে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনা জানার পরও শিশুদ্বয়ের পরিবার প্রথমে পুলিশের কাছে আসেনি। পরে এলাকাবাসী অভিযুক্তকে আটক করে গণধোলাই দেয়। আমরা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার পর থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আগৈলঝাড়ায় ৭২ ঘন্টার ব্যবধানে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাত্র ৭২ ঘন্টার ব্যবধানে রুটি ও টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬ ও ৯ বছর বয়সী দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক বখাটের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষককে স্থানীয়রা আটক করে গাছে বেঁধে গণধোলাই দেয় এবং বিক্ষোভ করে।

খবর পেয়ে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তবে পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় উত্তেজিত জনতা।

ভুক্তভোগী এক পরিবারের পক্ষ থেকে আগৈলঝাড়া থানায় মামলাও দায়ের করা হয়েছে, যার মামলা নং- ১৫ (৩০-০৩-২৫)২, ১ (০১-০৪-২৫)। অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুদের টাকা ও রুটির লোভ দেখিয়ে বাড়িতে ডাকার কথা স্বীকার করলেও ধর্ষণের কথা অস্বীকার করেছে এবং এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে ভালো হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শামীম হোসেন নিক্সন জানান, অভিযুক্ত আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে এর আগেও চুরি ও নারীদের শ্লীলতাহানির একাধিক অভিযোগ ছিল। তবে প্রভাবশালী স্বজনদের কারণে প্রতিবারই নামমাত্র বিচারে মুক্তি পেয়ে সে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রথমে সামাজিক মান-সম্মানের কথা ভেবে ঘটনাটি গোপন রেখেছিলেন। তবে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় তারা বিচার দাবি করেন। পরে আব্দুর রহমানকে আটক করে গণধোলাই দেওয়া হয় এবং গাছে বেঁধে রাখা হয়, পরে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনা জানার পরও শিশুদ্বয়ের পরিবার প্রথমে পুলিশের কাছে আসেনি। পরে এলাকাবাসী অভিযুক্তকে আটক করে গণধোলাই দেয়। আমরা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার পর থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’