ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টেকনাফের অপহৃত ব্যবসায়ীর ১৫ লাখ টাকায় মুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, উখিয়া (কক্সবাজার)
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 104

গত ৩০ ডিসেম্বর অপহৃত হন এই মুদি ব্যবসায়ী

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া থেকে অপহৃত জসিম উদ্দিন মুক্তি পেয়েছেন। এ জন্য পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

গত ৩০ ডিসেম্বর সোমবার রাত ১১ টার দিকে টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইল এলাকা থেকে তিনি অপহৃত হন। তিনি স্থানীয় নাজিম উদ্দিন মাস্টারের ছেলে।

টেকনাফ বাহারছড়ার ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, বুধবার ১৫ লাখ টাকায় রফাদফার পর জসিম উদ্দিনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

জসিমের বরাত দিয়ে স্বজনরা জানায়, ঘটনার দিন রাতে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ১৫-২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে দক্ষিণ বড় ডেইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাস্তার মাথার নিজ মুদির দোকান থেকে জসিম উদ্দিনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অপহরণ করে পাহাড়ের ভেতর নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

অপহরণের পর সন্ত্রাসীদের পক্ষে থেকে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে বিভিন্ন ধরনের নিযাতর্ন ও মারধর করে পরিবারের কাছে ভিডিও বার্তা পাঠানো হয়। অবশেষে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিলে সন্ত্রাসীরা তাকে ছেড়ে দেন। তার শরীরের বিভিন্ন ধরনের আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। তাকে বর্তমানে চট্টগ্রামে নিয়ে একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা করানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শোভন কুমার সাহা বলেন, ভুক্তভোগী পরিবার থেকে মুক্তিপণ দিয়ে ফেরত আসার বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি পুলিশকে। তবে থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের তথ্য বলছে, গত এক বছরেরও বেশি সময়ে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৯২ জনকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

টেকনাফের অপহৃত ব্যবসায়ীর ১৫ লাখ টাকায় মুক্তি

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া থেকে অপহৃত জসিম উদ্দিন মুক্তি পেয়েছেন। এ জন্য পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

গত ৩০ ডিসেম্বর সোমবার রাত ১১ টার দিকে টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইল এলাকা থেকে তিনি অপহৃত হন। তিনি স্থানীয় নাজিম উদ্দিন মাস্টারের ছেলে।

টেকনাফ বাহারছড়ার ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, বুধবার ১৫ লাখ টাকায় রফাদফার পর জসিম উদ্দিনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

জসিমের বরাত দিয়ে স্বজনরা জানায়, ঘটনার দিন রাতে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ১৫-২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে দক্ষিণ বড় ডেইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাস্তার মাথার নিজ মুদির দোকান থেকে জসিম উদ্দিনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অপহরণ করে পাহাড়ের ভেতর নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

অপহরণের পর সন্ত্রাসীদের পক্ষে থেকে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে বিভিন্ন ধরনের নিযাতর্ন ও মারধর করে পরিবারের কাছে ভিডিও বার্তা পাঠানো হয়। অবশেষে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিলে সন্ত্রাসীরা তাকে ছেড়ে দেন। তার শরীরের বিভিন্ন ধরনের আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। তাকে বর্তমানে চট্টগ্রামে নিয়ে একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা করানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শোভন কুমার সাহা বলেন, ভুক্তভোগী পরিবার থেকে মুক্তিপণ দিয়ে ফেরত আসার বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি পুলিশকে। তবে থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের তথ্য বলছে, গত এক বছরেরও বেশি সময়ে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৯২ জনকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে।