ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেসরকারি ইপিজেড এখন সরাসরি বেজার নিয়ন্ত্রণে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 14

দেশের বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলো (ইপিজেড) এখন থেকে সরাসরি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এই নতুন প্রশাসনিক কাঠামো আনার জন্য ১৯৯৬ সালের ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল আইন’ বাতিল করে একটি নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন, নতুন ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল রহিতকরণ অধ্যাদেশ ২০২৬’ ইতিমধ্যেই গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, পুরনো আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সকল বেসরকারি ইপিজেড এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল’ হিসেবে স্বীকৃত হবে।

সরকারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিনিয়োগ পরিবেশকে একক তদারকির আওতায় নিয়ে আসা ও দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে সমন্বয় ও শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য। অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, আগের আইনের অধীনে পাওয়া সকল লাইসেন্স বৈধ থাকবে এবং উদ্যোক্তাদের নতুন কোনো আবেদন করতে হবে না। বন্ডেড ও রেয়াতি সুবিধা আগের মতোই বজায় থাকবে।

প্রশাসনিক পরিবর্তনের অংশ হিসেবে, পূর্বের ‘গভর্নর বোর্ড’ ও ‘নির্বাহী সেল’ বিলুপ্ত করা হয়েছে। তবে সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেজারে সরাসরি বদলি করা হবে এবং চাকরির শর্তাবলি আপাতত অপরিবর্তিত থাকবে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, বিলুপ্ত বোর্ড বা সেলের চলমান কোনো আইনি মামলা এখন থেকে বেজারের মামলা হিসেবে পরিচালিত হবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আধুনিক ও সময়োপযোগী অধ্যাদেশ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন গতিশীলতা যোগ করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বেসরকারি ইপিজেড এখন সরাসরি বেজার নিয়ন্ত্রণে

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলো (ইপিজেড) এখন থেকে সরাসরি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এই নতুন প্রশাসনিক কাঠামো আনার জন্য ১৯৯৬ সালের ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল আইন’ বাতিল করে একটি নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন, নতুন ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল রহিতকরণ অধ্যাদেশ ২০২৬’ ইতিমধ্যেই গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, পুরনো আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সকল বেসরকারি ইপিজেড এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল’ হিসেবে স্বীকৃত হবে।

সরকারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিনিয়োগ পরিবেশকে একক তদারকির আওতায় নিয়ে আসা ও দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে সমন্বয় ও শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য। অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, আগের আইনের অধীনে পাওয়া সকল লাইসেন্স বৈধ থাকবে এবং উদ্যোক্তাদের নতুন কোনো আবেদন করতে হবে না। বন্ডেড ও রেয়াতি সুবিধা আগের মতোই বজায় থাকবে।

প্রশাসনিক পরিবর্তনের অংশ হিসেবে, পূর্বের ‘গভর্নর বোর্ড’ ও ‘নির্বাহী সেল’ বিলুপ্ত করা হয়েছে। তবে সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেজারে সরাসরি বদলি করা হবে এবং চাকরির শর্তাবলি আপাতত অপরিবর্তিত থাকবে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, বিলুপ্ত বোর্ড বা সেলের চলমান কোনো আইনি মামলা এখন থেকে বেজারের মামলা হিসেবে পরিচালিত হবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আধুনিক ও সময়োপযোগী অধ্যাদেশ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন গতিশীলতা যোগ করবে।