ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের জমি চূড়ান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 42

সরকার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের জন্য স্থান চূড়ান্ত করেছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় গণভবনের পাশে এই প্রকল্পের জন্য জমি নির্ধারণ করেছে। স্থাপত্য অধিদপ্তর ইতিমধ্যে নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে, আর গণপূর্ত অধিদপ্তর নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর চূড়ান্ত অনুমোদন নিয়ে নির্মাণ শুরু করার পরিকল্পনা করছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নতুন বাসভবন নির্মাণে দুই থেকে তিন বছরের সময় লাগতে পারে। ওই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ বা সংসদ ভবনসংলগ্ন স্পিকারের বাসভবন ব্যবহার করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা থাকলে ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনও যুক্ত করা হবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পর শপথ নেবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে শেরেবাংলানগরের ‘গণভবন’ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে নির্ধারিত ছিল, কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থানের পর তা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে পুনঃনির্ধারণ করেছে, যার নির্মাণ কাজ শেষের পথে।

নতুন বাসভবন নির্মাণের স্থান সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের নকশায় কোনো প্রভাব ফেলবে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও স্থাপত্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের জমি চূড়ান্ত

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

সরকার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের জন্য স্থান চূড়ান্ত করেছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় গণভবনের পাশে এই প্রকল্পের জন্য জমি নির্ধারণ করেছে। স্থাপত্য অধিদপ্তর ইতিমধ্যে নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে, আর গণপূর্ত অধিদপ্তর নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর চূড়ান্ত অনুমোদন নিয়ে নির্মাণ শুরু করার পরিকল্পনা করছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নতুন বাসভবন নির্মাণে দুই থেকে তিন বছরের সময় লাগতে পারে। ওই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ বা সংসদ ভবনসংলগ্ন স্পিকারের বাসভবন ব্যবহার করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা থাকলে ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনও যুক্ত করা হবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পর শপথ নেবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে শেরেবাংলানগরের ‘গণভবন’ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে নির্ধারিত ছিল, কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থানের পর তা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে পুনঃনির্ধারণ করেছে, যার নির্মাণ কাজ শেষের পথে।

নতুন বাসভবন নির্মাণের স্থান সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের নকশায় কোনো প্রভাব ফেলবে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও স্থাপত্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মন্তব্য করতে রাজি হননি।