ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১২ তারিখের নির্বাচন ঠিক করবে দেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ : তারেক রহমান

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 16

রাজশাহীতে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান/ছবি-বিএনপির মিডিয়া সেল

বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান রাজশাহীর মাদরাসা মাঠে নির্বাচনি জনসভায় বলেছেন, ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনই নির্ধারণ করবে দেশ গণতন্ত্রের পথে যাবে, নাকি অন্য পথে। তিনি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

 তারেক রহমান বলেন, ‘বিগত ১৬ বছরে আমরা কয়েকটি তথাকথিত নির্বাচন দেখেছি। নিশিরাতের নির্বাচন, গায়েব নির্বাচন—দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। তারা চলে গেছে যারা ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।’

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) দুপুরে তিনি আরও বলেন, ‘একটি মহল ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে কীভাবে এই নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায়। আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন যাতে কেউ বানচাল করতে না পারে, সেজন্য সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।’

শান্তিপূর্ণ রাজনীতির ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি। ঝগড়া-বিবাদে যেতে চাই না। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলবো—সঠিক ও সুষ্ঠু তদন্ত করতে। তদন্তে যদি বিএনপির কোনো ভূমিকা থাকে, আমরা সহযোগিতা করবো, তবে অবশ্যই আইনের ভিত্তিতে বিচার হবে।’

রাজশাহী ও উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের বিষয়ে তারেক বলেন, ‘রাজশাহী মানেই পদ্মা নদী ও শিক্ষানগরী। কিন্তু দুঃখজনকভাবে পদ্মা ও সংযুক্ত খালগুলোতে পানি নেই, বরেন্দ্র প্রকল্প প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বিএনপি সরকার গঠন করলে বরেন্দ্র প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত করা হবে, খাল খনন ও পদ্মা নদী খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।’

কৃষিখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘উত্তরাঞ্চল কৃষিনির্ভর এলাকা। কৃষিভিত্তিক শিল্প ও মিল-ফ্যাক্টরি স্থাপনে উদ্যোক্তাদের বিশেষ সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। কৃষক ভাইদের হাতে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে ঋণ, সার, বীজ ও কীটনাশক সরাসরি কৃষকের হাতে যাবে। এছাড়া ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।’

তারেক বলেন, ‘গণতন্ত্র না থাকলে জনগণের প্রকল্প বাস্তবায়ন হয় না, হয় শুধু মেগা দুর্নীতির প্রকল্প। গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হলেই জবাবদিহিমূলক শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১২ তারিখের নির্বাচন ঠিক করবে দেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ : তারেক রহমান

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান রাজশাহীর মাদরাসা মাঠে নির্বাচনি জনসভায় বলেছেন, ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনই নির্ধারণ করবে দেশ গণতন্ত্রের পথে যাবে, নাকি অন্য পথে। তিনি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

 তারেক রহমান বলেন, ‘বিগত ১৬ বছরে আমরা কয়েকটি তথাকথিত নির্বাচন দেখেছি। নিশিরাতের নির্বাচন, গায়েব নির্বাচন—দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। তারা চলে গেছে যারা ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।’

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) দুপুরে তিনি আরও বলেন, ‘একটি মহল ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে কীভাবে এই নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায়। আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন যাতে কেউ বানচাল করতে না পারে, সেজন্য সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।’

শান্তিপূর্ণ রাজনীতির ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি। ঝগড়া-বিবাদে যেতে চাই না। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলবো—সঠিক ও সুষ্ঠু তদন্ত করতে। তদন্তে যদি বিএনপির কোনো ভূমিকা থাকে, আমরা সহযোগিতা করবো, তবে অবশ্যই আইনের ভিত্তিতে বিচার হবে।’

রাজশাহী ও উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের বিষয়ে তারেক বলেন, ‘রাজশাহী মানেই পদ্মা নদী ও শিক্ষানগরী। কিন্তু দুঃখজনকভাবে পদ্মা ও সংযুক্ত খালগুলোতে পানি নেই, বরেন্দ্র প্রকল্প প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বিএনপি সরকার গঠন করলে বরেন্দ্র প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত করা হবে, খাল খনন ও পদ্মা নদী খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।’

কৃষিখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘উত্তরাঞ্চল কৃষিনির্ভর এলাকা। কৃষিভিত্তিক শিল্প ও মিল-ফ্যাক্টরি স্থাপনে উদ্যোক্তাদের বিশেষ সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। কৃষক ভাইদের হাতে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে ঋণ, সার, বীজ ও কীটনাশক সরাসরি কৃষকের হাতে যাবে। এছাড়া ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।’

তারেক বলেন, ‘গণতন্ত্র না থাকলে জনগণের প্রকল্প বাস্তবায়ন হয় না, হয় শুধু মেগা দুর্নীতির প্রকল্প। গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হলেই জবাবদিহিমূলক শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।’