ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে আসছে ২৭ দেশের প্রায় ২০০ জন পর্যবেক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 25

ছবি সংগৃহীত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচন এবং জুলাই সংস্কার সংশোধনী গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা বড় পর্যবেক্ষক দল মোতায়েন করতে যাচ্ছে।

ঢাকায় প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনে অংশগ্রহণকারী পর্যবেক্ষকরা দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলকতা যাচাই করবেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিশ্চিত করেছে, ২৭টি ইউ সদস্য রাষ্ট্রের প্রায় ২০০ জন পর্যবেক্ষক এবং নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড ও কানাডার প্রতিনিধি এই নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ মিশনে অংশ নেবেন।

পর্যবেক্ষকরা ভোটগ্রহণ ও গণভোট প্রক্রিয়ার সব পর্যায় সরাসরিআগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচন এবং জুলাই সংস্কার সংশোধনী গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা বড় পর্যবেক্ষক দল মোতায়েন করতে যাচ্ছে। পর্যবেক্ষণ করবেন এবং নির্বাচনের ফলাফল ও পরিচালনা নিয়ে স্বাধীন প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন।

কমনওয়েলথও একই সময়ে বড় পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে। ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আডো ১৪ সদস্যের কমনওয়েলথ দলের নেতৃত্ব দেবেন।

দলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন রাজনৈতিক, আইন, মিডিয়া, লিঙ্গ এবং নির্বাচনী প্রশাসন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা। দলের কার্যক্রমকে সমর্থন দেবে একটি সচিবালয় দল, যার নেতৃত্বে থাকবেন নির্বাচনী সহায়তা বিভাগের প্রধান লিনফোর্ড অ্যান্ড্রুজ।

কমনওয়েলথের উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং গণভোট বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছভাবে হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করা। পর্যবেক্ষকরা দেশের দায়িত্ব নেওয়া মান ও আইন অনুযায়ী নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আচরণ নিয়ে প্রতিবেদন দেবে।

দলের সদস্যদের মধ্যে আছেন মালদ্বীপ, সিয়েরা লিওন, মালয়েশিয়া, এন্টিগুয়া ও বারবুডা, কানাডা, ফিজি, মরিশাস, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, উগান্ডা, যুক্তরাজ্য ও জাম্বিয়ার প্রতিনিধি।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দলগুলোর উপস্থিতি দেশের নির্বাচন ও গণভোটকে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী যাচাই করার সম্ভাবনা তৈরি করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধি করতে এবং নির্বাচনী ভুল-ত্রুটি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে আসছে ২৭ দেশের প্রায় ২০০ জন পর্যবেক্ষক

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচন এবং জুলাই সংস্কার সংশোধনী গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা বড় পর্যবেক্ষক দল মোতায়েন করতে যাচ্ছে।

ঢাকায় প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনে অংশগ্রহণকারী পর্যবেক্ষকরা দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলকতা যাচাই করবেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিশ্চিত করেছে, ২৭টি ইউ সদস্য রাষ্ট্রের প্রায় ২০০ জন পর্যবেক্ষক এবং নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড ও কানাডার প্রতিনিধি এই নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ মিশনে অংশ নেবেন।

পর্যবেক্ষকরা ভোটগ্রহণ ও গণভোট প্রক্রিয়ার সব পর্যায় সরাসরিআগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচন এবং জুলাই সংস্কার সংশোধনী গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা বড় পর্যবেক্ষক দল মোতায়েন করতে যাচ্ছে। পর্যবেক্ষণ করবেন এবং নির্বাচনের ফলাফল ও পরিচালনা নিয়ে স্বাধীন প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন।

কমনওয়েলথও একই সময়ে বড় পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে। ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আডো ১৪ সদস্যের কমনওয়েলথ দলের নেতৃত্ব দেবেন।

দলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন রাজনৈতিক, আইন, মিডিয়া, লিঙ্গ এবং নির্বাচনী প্রশাসন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা। দলের কার্যক্রমকে সমর্থন দেবে একটি সচিবালয় দল, যার নেতৃত্বে থাকবেন নির্বাচনী সহায়তা বিভাগের প্রধান লিনফোর্ড অ্যান্ড্রুজ।

কমনওয়েলথের উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং গণভোট বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছভাবে হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করা। পর্যবেক্ষকরা দেশের দায়িত্ব নেওয়া মান ও আইন অনুযায়ী নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আচরণ নিয়ে প্রতিবেদন দেবে।

দলের সদস্যদের মধ্যে আছেন মালদ্বীপ, সিয়েরা লিওন, মালয়েশিয়া, এন্টিগুয়া ও বারবুডা, কানাডা, ফিজি, মরিশাস, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, উগান্ডা, যুক্তরাজ্য ও জাম্বিয়ার প্রতিনিধি।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দলগুলোর উপস্থিতি দেশের নির্বাচন ও গণভোটকে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী যাচাই করার সম্ভাবনা তৈরি করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধি করতে এবং নির্বাচনী ভুল-ত্রুটি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।