ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যে কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা স্থগিত করেছে

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 5

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি-জুন মেয়াদের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা স্থগিত করেছে। মূলত চলতি মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্যের উপর ভিত্তি করে নীতি চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা ছিল, যা এখন কিছুটা পিছিয়ে গেছে।

মূল্যস্ফীতি পর্যবেক্ষণের পর মুদ্রানীতি ঘোষণার সম্ভাব্য রূপরেখা নির্ধারণ করতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি যদি প্রত্যাশিত চেয়ে কম হয়, তবে নীতিতে কিছুটা শিথিলতার পথ খুলতে পারে। তবে ব্যাংকের পর্ষদের অভিমত অনুযায়ী মূল্যস্ফীতির হার প্রত্যাশিত মাত্রায় না কমায় কিছু ব্যাখ্যা দিতে হচ্ছে। এর ফলে ঘোষণা স্থগিত করা হলো।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানা গেছে, এই মাসের মুদ্রানীতির চূড়ান্ত রূপরেখা পর্যালোচনার পর প্রকাশ করা হবে। মূল সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার কথাই চূড়ান্ত হয়েছিল। এর আগে মুদ্রানীতি কমিটি ২২ জানুয়ারি বৈঠক করে নীতি কাঠামো চূড়ান্ত করেছিল।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মুদ্রানীতি স্থগিত হওয়ার কারণে বাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। সুদের হার অপরিবর্তিত থাকায় ঋণ ও বিনিয়োগ খাতে প্রভাব পড়তে পারে। ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা এখন বাজারের নতুন সংকেতের অপেক্ষায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই স্থগিতাদেশ মূলত মূল্যস্ফীতির হারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নীতি স্থির করার চেষ্টা।

মুদ্রানীতি ঘোষণার এই স্থগিতাদেশ দেশের অর্থনীতিতে ব্যয় এবং বিনিয়োগের গতিবিধি প্রভাবিত করতে পারে। ব্যাংক ও ব্যবসায় সম্প্রদায়ের মধ্যে এখন তথ্যের স্বচ্ছতার ওপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আগামী সপ্তাহে নতুন নীতির প্রকাশের আগে বাজারে মনোযোগ আকর্ষণ করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যে কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা স্থগিত করেছে

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি-জুন মেয়াদের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা স্থগিত করেছে। মূলত চলতি মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্যের উপর ভিত্তি করে নীতি চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা ছিল, যা এখন কিছুটা পিছিয়ে গেছে।

মূল্যস্ফীতি পর্যবেক্ষণের পর মুদ্রানীতি ঘোষণার সম্ভাব্য রূপরেখা নির্ধারণ করতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি যদি প্রত্যাশিত চেয়ে কম হয়, তবে নীতিতে কিছুটা শিথিলতার পথ খুলতে পারে। তবে ব্যাংকের পর্ষদের অভিমত অনুযায়ী মূল্যস্ফীতির হার প্রত্যাশিত মাত্রায় না কমায় কিছু ব্যাখ্যা দিতে হচ্ছে। এর ফলে ঘোষণা স্থগিত করা হলো।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানা গেছে, এই মাসের মুদ্রানীতির চূড়ান্ত রূপরেখা পর্যালোচনার পর প্রকাশ করা হবে। মূল সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার কথাই চূড়ান্ত হয়েছিল। এর আগে মুদ্রানীতি কমিটি ২২ জানুয়ারি বৈঠক করে নীতি কাঠামো চূড়ান্ত করেছিল।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মুদ্রানীতি স্থগিত হওয়ার কারণে বাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। সুদের হার অপরিবর্তিত থাকায় ঋণ ও বিনিয়োগ খাতে প্রভাব পড়তে পারে। ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা এখন বাজারের নতুন সংকেতের অপেক্ষায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই স্থগিতাদেশ মূলত মূল্যস্ফীতির হারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নীতি স্থির করার চেষ্টা।

মুদ্রানীতি ঘোষণার এই স্থগিতাদেশ দেশের অর্থনীতিতে ব্যয় এবং বিনিয়োগের গতিবিধি প্রভাবিত করতে পারে। ব্যাংক ও ব্যবসায় সম্প্রদায়ের মধ্যে এখন তথ্যের স্বচ্ছতার ওপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আগামী সপ্তাহে নতুন নীতির প্রকাশের আগে বাজারে মনোযোগ আকর্ষণ করবে।