ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রধান উপদেষ্টা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনই একমাত্র টেকসই সমাধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 12

যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে ইউএনএইচসিআরের নবনিযুক্ত কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ইভো ফ্রেইজসেন। ছবি: বাসস

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাখাইন রাজ্যে নিজ ভূমিতে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র কার্যকর ও টেকসই সমাধান।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউএনএইচসিআরের নবনিযুক্ত কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ইভো ফ্রেইজসেন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাকে (ইউএনএইচসিআর) সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

সাক্ষাতে ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তা কার্যক্রমে ‘নাটকীয় হ্রাস’-এর কথা তুলে ধরেন এবং শিবিরগুলোতে আত্মনির্ভরশীলতা ও জীবিকাভিত্তিক সুযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, রোহিঙ্গা সংকটটি তার প্রাপ্য গুরুত্ব পাচ্ছে না, যদিও গত এক বছরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণের লক্ষ্যে একাধিক উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি আয়োজন করেছে। এর মধ্যে, রমজান মাসে রোহিঙ্গা শিবিরে জাতিসংঘ মহাসচিবের সফর উল্লেখযোগ্য, যা মানবিক সংকটটির প্রতি আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণে সহায়ক হয়েছে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের দীর্ঘদিন শিবিরে অবস্থান কোনো সমাধান হতে পারে না, কারণ এতে ইতোমধ্যে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ভাসানচর থেকে অনেক শরণার্থী আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে মূল ভূখণ্ডে মিশে গেছে, যা দেশের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

ইভো ফ্রেইজসেন জানান, ইউএনএইচসিআরের নবনিযুক্ত প্রধান বারহাম সালেহ শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তার পূর্বসূরি ফিলিপো গ্রান্ডি ২০১৭ সালের পর থেকে একাধিকবার শিবিরগুলো পরিদর্শন করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রধান উপদেষ্টা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনই একমাত্র টেকসই সমাধান

সর্বশেষ আপডেট ১২:১১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাখাইন রাজ্যে নিজ ভূমিতে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র কার্যকর ও টেকসই সমাধান।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউএনএইচসিআরের নবনিযুক্ত কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ইভো ফ্রেইজসেন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাকে (ইউএনএইচসিআর) সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

সাক্ষাতে ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তা কার্যক্রমে ‘নাটকীয় হ্রাস’-এর কথা তুলে ধরেন এবং শিবিরগুলোতে আত্মনির্ভরশীলতা ও জীবিকাভিত্তিক সুযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, রোহিঙ্গা সংকটটি তার প্রাপ্য গুরুত্ব পাচ্ছে না, যদিও গত এক বছরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণের লক্ষ্যে একাধিক উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি আয়োজন করেছে। এর মধ্যে, রমজান মাসে রোহিঙ্গা শিবিরে জাতিসংঘ মহাসচিবের সফর উল্লেখযোগ্য, যা মানবিক সংকটটির প্রতি আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণে সহায়ক হয়েছে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের দীর্ঘদিন শিবিরে অবস্থান কোনো সমাধান হতে পারে না, কারণ এতে ইতোমধ্যে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ভাসানচর থেকে অনেক শরণার্থী আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে মূল ভূখণ্ডে মিশে গেছে, যা দেশের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

ইভো ফ্রেইজসেন জানান, ইউএনএইচসিআরের নবনিযুক্ত প্রধান বারহাম সালেহ শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তার পূর্বসূরি ফিলিপো গ্রান্ডি ২০১৭ সালের পর থেকে একাধিকবার শিবিরগুলো পরিদর্শন করেছেন।