ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 34

শেরপুরে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষের ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম মারা গেছেন।

শেরপুরে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে ঝিনাইগাতী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমের মৃত্যু ঘটেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১০টায় তিনি মারা যান। সংঘর্ষটি বিকেলে উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সময় সংঘটিত হয়।

জেলা প্রতিনিধি জানায়, ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির শুরু হয় যা দ্রুত হাতাহাতিতে পরিণত হয়। সংঘর্ষের সময় রেজাউল করিম গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত পৌনে ১০টায় তাঁর মৃত্যু হয়।

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, “আগায় নিয়ে গেছি।” তার এই মন্তব্যে ঘটনাস্থলে প্রশাসনের উপস্থিতি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা নির্দেশিত হলেও সংঘর্ষের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং ব্যক্তিগত বিবাদ এই সংঘর্ষের মূল কারণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, নির্বাচনী এলাকায় দুই দলের মধ্যে এমন ধরনের সংঘর্ষ ভবিষ্যত নির্বাচনী পরিবেশকেও প্রভাবিত করতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত

সর্বশেষ আপডেট ১০:২২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

শেরপুরে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে ঝিনাইগাতী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমের মৃত্যু ঘটেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১০টায় তিনি মারা যান। সংঘর্ষটি বিকেলে উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সময় সংঘটিত হয়।

জেলা প্রতিনিধি জানায়, ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির শুরু হয় যা দ্রুত হাতাহাতিতে পরিণত হয়। সংঘর্ষের সময় রেজাউল করিম গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত পৌনে ১০টায় তাঁর মৃত্যু হয়।

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, “আগায় নিয়ে গেছি।” তার এই মন্তব্যে ঘটনাস্থলে প্রশাসনের উপস্থিতি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা নির্দেশিত হলেও সংঘর্ষের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং ব্যক্তিগত বিবাদ এই সংঘর্ষের মূল কারণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, নির্বাচনী এলাকায় দুই দলের মধ্যে এমন ধরনের সংঘর্ষ ভবিষ্যত নির্বাচনী পরিবেশকেও প্রভাবিত করতে পারে।