ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবার মায়েদের দিকে হাত বাড়ালে বসে থাকব না: জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৮:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 8

জামায়াতে ইসলামীর নারী সমাবেশে বক্তব্য দেন দলটির আমির শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় দলের নারী কর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। যারা মায়ের মর্যাদা হেনস্তা করেছেন বা তাদের গায়ে হাত তুলেছেন, তাদের উচিত ক্ষমা চাওয়া। তিনি বলেন, আল্লাহ চাইলে তাদেরকে ক্ষমা করবেন।

তবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি জানান, অন্যথায় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা নীরব দর্শক হয়ে বসে থাকবে না। তিনি বলেন, “আমাদের জীবনের চাইতে মায়েদের ইজ্জতের মূল্য অনেক বেশি। কেউ যদি আবার হাত বাড়ানোর চেষ্টা করে, ইনশা আল্লাহ আমরা গালে হাত দিয়ে বসে থাকব না।”

ডা. শফিকুর রহমান বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে মিরপুরের মণিপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জামায়াতের নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, “আমরা মায়ের সন্তানরা—আমরা গর্জে উঠব। যেকোনো মূল্যে আমাদের মায়েদের মর্যাদা রক্ষা করব। অপশন দুইটা—একটি হলো নিজে পরিবর্তন হয়ে ভালো হয়ে যাওয়া এবং মাকে সম্মান করা, আর না হলে পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য সমস্ত দায় নিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।”

সমাজব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমরা মাতৃতান্ত্রিকতাও চাই না, পিতৃতান্ত্রিকতাও চাই না। আমরা একটি মানবিক সমাজ চাই। নারী-পুরুষ সমন্বয়ে সমাজ গড়ে তুলতে চাই, কোনো ক্লেশ বা বিভাজন চাই না—ধর্মে, বর্ণে, এমনকি জেন্ডারেও।”

ডা. শফিকুর রহমান ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমটি গণভোট, যা তিনি ‘হ্যাঁ’ ভোট হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “‘হ্যাঁ’ মানে বাংলাদেশ জিতে যাওয়া, ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘হ্যাঁ’ মানে ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণা আর ফিরে না আসা। ইনশা আল্লাহ আমাদের প্রথম ভোটটি হবে ‘হ্যাঁ’।”

দ্বিতীয় ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, “দূর অতীতে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ৫ আগস্ট ২০২৪ সাল থেকে আল্লাহ আমাদের মুক্তির ব্যবস্থা করেছেন। কার আচরণ কেমন, দৃষ্টিভঙ্গি ও কাজকর্ম কেমন, তা সবার সামনে স্পষ্ট। যাদের ওপর আস্থা রাখা যাবে, ভোট তাদের পক্ষেই যাবে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আবার মায়েদের দিকে হাত বাড়ালে বসে থাকব না: জামায়াত আমির

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৮:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় দলের নারী কর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। যারা মায়ের মর্যাদা হেনস্তা করেছেন বা তাদের গায়ে হাত তুলেছেন, তাদের উচিত ক্ষমা চাওয়া। তিনি বলেন, আল্লাহ চাইলে তাদেরকে ক্ষমা করবেন।

তবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি জানান, অন্যথায় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা নীরব দর্শক হয়ে বসে থাকবে না। তিনি বলেন, “আমাদের জীবনের চাইতে মায়েদের ইজ্জতের মূল্য অনেক বেশি। কেউ যদি আবার হাত বাড়ানোর চেষ্টা করে, ইনশা আল্লাহ আমরা গালে হাত দিয়ে বসে থাকব না।”

ডা. শফিকুর রহমান বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে মিরপুরের মণিপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জামায়াতের নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, “আমরা মায়ের সন্তানরা—আমরা গর্জে উঠব। যেকোনো মূল্যে আমাদের মায়েদের মর্যাদা রক্ষা করব। অপশন দুইটা—একটি হলো নিজে পরিবর্তন হয়ে ভালো হয়ে যাওয়া এবং মাকে সম্মান করা, আর না হলে পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য সমস্ত দায় নিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।”

সমাজব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমরা মাতৃতান্ত্রিকতাও চাই না, পিতৃতান্ত্রিকতাও চাই না। আমরা একটি মানবিক সমাজ চাই। নারী-পুরুষ সমন্বয়ে সমাজ গড়ে তুলতে চাই, কোনো ক্লেশ বা বিভাজন চাই না—ধর্মে, বর্ণে, এমনকি জেন্ডারেও।”

ডা. শফিকুর রহমান ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমটি গণভোট, যা তিনি ‘হ্যাঁ’ ভোট হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “‘হ্যাঁ’ মানে বাংলাদেশ জিতে যাওয়া, ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘হ্যাঁ’ মানে ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণা আর ফিরে না আসা। ইনশা আল্লাহ আমাদের প্রথম ভোটটি হবে ‘হ্যাঁ’।”

দ্বিতীয় ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, “দূর অতীতে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ৫ আগস্ট ২০২৪ সাল থেকে আল্লাহ আমাদের মুক্তির ব্যবস্থা করেছেন। কার আচরণ কেমন, দৃষ্টিভঙ্গি ও কাজকর্ম কেমন, তা সবার সামনে স্পষ্ট। যাদের ওপর আস্থা রাখা যাবে, ভোট তাদের পক্ষেই যাবে।”