ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামায়াত নেতার বক্তব্যে মহিলা পরিষদের নিন্দা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 11

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ

জামায়েতে ইসলামের নেতার নারী বিদ্বেষী বক্তব্যের তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ।

আজ বুধবার সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম  স্বাক্ষরিত  বিবৃতিতে  বলা হয়েছে,  সম্প্রতি বরগুনা জেলা জামায়েতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি নির্বাচনী সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-কে উল্লেখ করে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের প্রতি যে অবমাননাকর, উদ্ধত্যপূর্ণ ও ক্ষমার অযোগ্য মন্তব্য করেছেন  তার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানাচ্ছেন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণায় দেওয়া তার এই বক্তব্যের প্রতি আমরা নির্বাচন কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং যথাযথ ব্যবসথা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানাচিছ।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার বরগুনা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেয়ার সময় বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসান বলেন, ‘আমরা দেখেছি, নির্বাচনের আগে ডাকসু মাদকের আড্ডাখানা ছিল, বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই, এই বাংলাদেশে সকল প্রকার অন্যায়, চাঁদাবাজ, দুর্নীতি উৎখাত করতে সক্ষম জামায়াত ইসলামী।’

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হলে, ওই নেতার সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জামায়াত। একই সঙ্গে তার দলীয় সদস্য (রুকন) পদও স্থগিত করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জামায়াত নেতার বক্তব্যে মহিলা পরিষদের নিন্দা

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

জামায়েতে ইসলামের নেতার নারী বিদ্বেষী বক্তব্যের তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ।

আজ বুধবার সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম  স্বাক্ষরিত  বিবৃতিতে  বলা হয়েছে,  সম্প্রতি বরগুনা জেলা জামায়েতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি নির্বাচনী সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-কে উল্লেখ করে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের প্রতি যে অবমাননাকর, উদ্ধত্যপূর্ণ ও ক্ষমার অযোগ্য মন্তব্য করেছেন  তার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানাচ্ছেন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণায় দেওয়া তার এই বক্তব্যের প্রতি আমরা নির্বাচন কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং যথাযথ ব্যবসথা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানাচিছ।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার বরগুনা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেয়ার সময় বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসান বলেন, ‘আমরা দেখেছি, নির্বাচনের আগে ডাকসু মাদকের আড্ডাখানা ছিল, বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই, এই বাংলাদেশে সকল প্রকার অন্যায়, চাঁদাবাজ, দুর্নীতি উৎখাত করতে সক্ষম জামায়াত ইসলামী।’

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হলে, ওই নেতার সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জামায়াত। একই সঙ্গে তার দলীয় সদস্য (রুকন) পদও স্থগিত করা হয়েছে।