ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে নিপাহ ভাইরাস, এশিয়ার বিমানবন্দরগুলোতে সতর্কতা জোরদার

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 7

নিপা ভাইরাস প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর ও স্থলসীমান্তে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। থাইল্যান্ড, নেপাল ও অন্যান্য দেশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগত যাত্রীদের স্ক্রিনিং শুরু করেছে। ভাইরাসের দ্রুততা এবং প্রাণঘাতী প্রকৃতির কারণে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

২০১৮ সালে কেরালায় ১৯ জন আক্রান্ত হয়ে ১৭ জনের মৃত্যু হওয়া নিপাহ ভাইরাস এবারও সতর্কতার কারণ হয়ে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের বারাসাত এলাকায় পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।

বিশেষজ্ঞরা জানান, নিপাহ ভাইরাসের মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ এবং বর্তমানে এর জন্য কার্যকর কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।

নিপাহ সাধারণত শূকর ও বাদুড়ের মতো প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়। তবে দূষিত খাবার ও মানুষ-মানুষ সংক্রমণের সম্ভাবনাও আছে।

প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা, বমি ও গলা ব্যথা দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে প্রদাহ বা এনসেফালাইটিস ঘটতে পারে, যা প্রাণঘাতী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিপাহকে সম্ভাব্য মহামারি সৃষ্টির রোগের তালিকায় রেখেছে। এর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর ও স্থলসীমান্তে যাত্রী স্ক্রিনিং, পর্যটন এলাকার নজরদারি এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।

তবে এখনো ভারতের বাইরে কোনো দেশ থেকে সংক্রমণের খবর পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুধু স্বাস্থ্য সংকট নয়, বরং আন্তর্জাতিক পর্যটন ও অর্থনীতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দ্রুত পদক্ষেপ, রোগ নিরীক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সমন্বয় অপরিহার্য বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ভারতে নিপাহ ভাইরাস, এশিয়ার বিমানবন্দরগুলোতে সতর্কতা জোরদার

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর ও স্থলসীমান্তে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। থাইল্যান্ড, নেপাল ও অন্যান্য দেশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগত যাত্রীদের স্ক্রিনিং শুরু করেছে। ভাইরাসের দ্রুততা এবং প্রাণঘাতী প্রকৃতির কারণে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

২০১৮ সালে কেরালায় ১৯ জন আক্রান্ত হয়ে ১৭ জনের মৃত্যু হওয়া নিপাহ ভাইরাস এবারও সতর্কতার কারণ হয়ে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের বারাসাত এলাকায় পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।

বিশেষজ্ঞরা জানান, নিপাহ ভাইরাসের মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ এবং বর্তমানে এর জন্য কার্যকর কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।

নিপাহ সাধারণত শূকর ও বাদুড়ের মতো প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়। তবে দূষিত খাবার ও মানুষ-মানুষ সংক্রমণের সম্ভাবনাও আছে।

প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা, বমি ও গলা ব্যথা দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে প্রদাহ বা এনসেফালাইটিস ঘটতে পারে, যা প্রাণঘাতী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিপাহকে সম্ভাব্য মহামারি সৃষ্টির রোগের তালিকায় রেখেছে। এর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর ও স্থলসীমান্তে যাত্রী স্ক্রিনিং, পর্যটন এলাকার নজরদারি এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।

তবে এখনো ভারতের বাইরে কোনো দেশ থেকে সংক্রমণের খবর পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুধু স্বাস্থ্য সংকট নয়, বরং আন্তর্জাতিক পর্যটন ও অর্থনীতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দ্রুত পদক্ষেপ, রোগ নিরীক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সমন্বয় অপরিহার্য বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।