ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৫১ দলে নারী প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র ৪ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 17

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রত্যাশা শীর্ষক অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতি দলে ন্যুনতম ৫ শতাংশ নারী প্রার্থীর মনোনয়ন নিশ্চিতের কথা থাকলেও ৫১ দলে নারী প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র ৪ শতাংশ ।

আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানী গুলশানের একটি হোটেলে আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোটের আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পূর্ব আলোচনা সভা প্রসঙ্গ : প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রত্যাশা শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনেরা এ কথা বলেন।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনামের সভাপতিত্বে রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী ও প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির গাজীপুর -৪ ( কাপাসিয়া) আসনের মানবেন্দ্র দেব। জাতীয় পার্টির ঢাকা ১০ আসনের প্রার্থী বহ্নি বেপারী, গণফোরামের ঝিনাইদহ-৪ আসনের খনিয়া খানম, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক লুনা নূর, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর সাবেক সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা, বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন। সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব (নিরীক্ষা) মোহাম্মদ মতিয়ুর রহমান, কেরানিগঞ্জের উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ শিবলীজ্জামান। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন লিঙ্গীয় বৈচিত্র্যের জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ইভান আহমেদ কথা, নাটোরের সমতল আদিবাসী প্রতিনিধি লাবনী এক্কা।

 

এছাড়াও বক্তব্য দেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রোগাম ম্যানেজার লায়লা জেসমিন বানু, দেশকাল নিউজের অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর মাসুদ করিম, ডিবিসি নিউজের সিনিয়র সাংবাদিক ইসরাত জাহান উর্মি।

প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিষয়ক প্রবন্ধে আমরাই পারি’র প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৬০ এর মধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে ৫১ দল। নির্বাচনে ৩০ রাজনৈতিক দলে নারী প্রার্থী নেই । সমতল আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কোনো প্রার্থী নেই। ট্রান্সজেন্ডার প্রার্থী মাত্র ১ জন। রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের শর্ত অনুযায়ী দলীয় পদে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার কথা থাকলেও নারীদের নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়ার কোন নির্দেশনা নেই।

মোহাম্মদ মতিয়ুর রহমান বলেন, মনোনয়ন পত্র জমা দিতে মনোনীত প্রার্থীর জন্য জেলা-উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচন কমিশনে আসন রিজার্ভ থাকে। প্রার্থীরা এবার মনোনয়ন জমা দিতে ২০ দিন সময় পেয়েছেন। এরপরও রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীরা শেষ দিনে মনোনয়ন জমা দিতে এসেছেন। প্রার্থীদের ভিড়ের চাপে ক্রুটিগুলো খুঁটিয়ে দেখা সম্ভব হয়ে ওঠে না। অথচ দু-তিনদিন আগে জমা দিলে কর্মকর্তার ভালো করে যাচাই-বাছাই করতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রার্থীদের সচেতনতা দরকার ছিল।

তিনি আরো বলেন, আমরা নারীবান্ধব নির্বাচন কমিশন করতে চাই। ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে নির্বাচন বিধিমালা ২০২৫ এর ১৮ তে বলা রয়েছে, অক্ষম, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দৃষ্টিহীন কোনো ভোটার ভোট প্রদান করতে এলে একজন সাহায্যকারী দেওয়া হবে। সাহায্যকারীর বয়স ২১ বছর হতে হবে। ভোটারের প্রত্যাশিত প্রতীকী ভোট দিতে সহযোগিতা করবেন। ভোটকেন্দ্রে র‌্যাম থাকবে। প্রান্তিক অঞ্চলে একটি বিদ্যালয় থাকে। সেখানে বিকল্প ব্যবস্থা থাকে না। এক্ষেত্রে অক্ষম, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সহযোগিতার জন্য সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার নিচে নেমে ভোটারের ভোট গোপনীয়তার সাথে প্রদানের ব্যবস্থা করবেন।

শাহীন আনাম বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং নারী। রাজনৈতিক দল ৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়নের অঙ্গীকার করলেও তা দিতে পারেনি। স্বতন্ত্র্য প্রার্থীর নারী যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা ক্ষমতার চ্যালেঞ্জ, হুমকি, সোশ্যাল মিডিয়ায় নানারকম গালিগালাজের সম্মুখীন হচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা প্রান্তিক নারীদের দুঃখ, বঞ্চনা, কষ্টের কথা শুনছেন কিনা! শুনেও তারা কিছু করতে পারছেন কিনা! অন্যদিকে দলিত , আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লোকেরা উন্নয়নের ধারা থেকে ছিটকে পড়েছে। পিছিয়ে রাখা জনগোষ্ঠীর মধ্যে রাজনৈতিক, সামাজিক টানাপোড়েন রয়েছে।

রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নারী প্রার্থী ৫ শতাংশ দেওয়ার কথা থাকলেও বাসদ তা দিতে পারেনি। কেনো পারেনি এটার বাস্তবতা আছে। তবে ভাবতে হবে, এই প্রতিজ্ঞাটা আমাদের থাকা দরকার।

মানবেন্দ্র দেব বলেন, রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। যিনি ভোট দিতে পারেন, তিনি প্রার্থীও হতে পারেন। কিন্তু একজন প্রার্থীর জামানত ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা হয়েছে। যার ফলে একজন নাগরিক আর্থিক সমস্যার কারণে প্রার্থী হতে পারবেন না। যিনি এই প্রক্রিয়ার মধ্যে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না, যারা প্রতিনিধিত্ব করছেন তারা ওই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করেন না।

মাসুদ করিম বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোতে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৩ শতাংশ। বিএনপিতে নারী প্রার্থী ১০ জন। অন্যান্য দলে কিছুসংখ্যক নারী প্রার্থী রয়েছে। গত কয়েক বছরের সংসদে নারী প্রধানমন্ত্রী, নারী বিরোধী নেত্রী ছিলেন। এবারের নির্বাচনে যে আসনে পুরুষ প্রার্থীর বিজয়ের সম্ভাবনা নেই সেই আসনে নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। সংরক্ষিত নারী আসনে যারা মনোনীত হয়েছিলেন, তারা এবার সরাসরি মনোনীত হননি।

ইসরাত জাহান উর্মি বলেন, গণমাধ্যমে নির্বাচনে নারীকে নিয়ে নিউজ করা হয়, নারী তাড়াতাড়ি রান্নাবান্না করে ভোট দিতে এসেছে। কিন্তু নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা উঠলেই বলা হয়, নারী বেশি কথা বলছে। তাদের গলার আওয়াজ বেশি শোনা যাচ্ছে।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

৫১ দলে নারী প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র ৪ শতাংশ

সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতি দলে ন্যুনতম ৫ শতাংশ নারী প্রার্থীর মনোনয়ন নিশ্চিতের কথা থাকলেও ৫১ দলে নারী প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র ৪ শতাংশ ।

আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানী গুলশানের একটি হোটেলে আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোটের আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পূর্ব আলোচনা সভা প্রসঙ্গ : প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রত্যাশা শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনেরা এ কথা বলেন।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনামের সভাপতিত্বে রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী ও প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির গাজীপুর -৪ ( কাপাসিয়া) আসনের মানবেন্দ্র দেব। জাতীয় পার্টির ঢাকা ১০ আসনের প্রার্থী বহ্নি বেপারী, গণফোরামের ঝিনাইদহ-৪ আসনের খনিয়া খানম, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক লুনা নূর, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর সাবেক সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা, বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন। সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব (নিরীক্ষা) মোহাম্মদ মতিয়ুর রহমান, কেরানিগঞ্জের উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ শিবলীজ্জামান। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন লিঙ্গীয় বৈচিত্র্যের জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ইভান আহমেদ কথা, নাটোরের সমতল আদিবাসী প্রতিনিধি লাবনী এক্কা।

 

এছাড়াও বক্তব্য দেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রোগাম ম্যানেজার লায়লা জেসমিন বানু, দেশকাল নিউজের অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর মাসুদ করিম, ডিবিসি নিউজের সিনিয়র সাংবাদিক ইসরাত জাহান উর্মি।

প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিষয়ক প্রবন্ধে আমরাই পারি’র প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৬০ এর মধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে ৫১ দল। নির্বাচনে ৩০ রাজনৈতিক দলে নারী প্রার্থী নেই । সমতল আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কোনো প্রার্থী নেই। ট্রান্সজেন্ডার প্রার্থী মাত্র ১ জন। রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের শর্ত অনুযায়ী দলীয় পদে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার কথা থাকলেও নারীদের নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়ার কোন নির্দেশনা নেই।

মোহাম্মদ মতিয়ুর রহমান বলেন, মনোনয়ন পত্র জমা দিতে মনোনীত প্রার্থীর জন্য জেলা-উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচন কমিশনে আসন রিজার্ভ থাকে। প্রার্থীরা এবার মনোনয়ন জমা দিতে ২০ দিন সময় পেয়েছেন। এরপরও রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীরা শেষ দিনে মনোনয়ন জমা দিতে এসেছেন। প্রার্থীদের ভিড়ের চাপে ক্রুটিগুলো খুঁটিয়ে দেখা সম্ভব হয়ে ওঠে না। অথচ দু-তিনদিন আগে জমা দিলে কর্মকর্তার ভালো করে যাচাই-বাছাই করতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রার্থীদের সচেতনতা দরকার ছিল।

তিনি আরো বলেন, আমরা নারীবান্ধব নির্বাচন কমিশন করতে চাই। ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে নির্বাচন বিধিমালা ২০২৫ এর ১৮ তে বলা রয়েছে, অক্ষম, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দৃষ্টিহীন কোনো ভোটার ভোট প্রদান করতে এলে একজন সাহায্যকারী দেওয়া হবে। সাহায্যকারীর বয়স ২১ বছর হতে হবে। ভোটারের প্রত্যাশিত প্রতীকী ভোট দিতে সহযোগিতা করবেন। ভোটকেন্দ্রে র‌্যাম থাকবে। প্রান্তিক অঞ্চলে একটি বিদ্যালয় থাকে। সেখানে বিকল্প ব্যবস্থা থাকে না। এক্ষেত্রে অক্ষম, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সহযোগিতার জন্য সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার নিচে নেমে ভোটারের ভোট গোপনীয়তার সাথে প্রদানের ব্যবস্থা করবেন।

শাহীন আনাম বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং নারী। রাজনৈতিক দল ৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়নের অঙ্গীকার করলেও তা দিতে পারেনি। স্বতন্ত্র্য প্রার্থীর নারী যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা ক্ষমতার চ্যালেঞ্জ, হুমকি, সোশ্যাল মিডিয়ায় নানারকম গালিগালাজের সম্মুখীন হচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা প্রান্তিক নারীদের দুঃখ, বঞ্চনা, কষ্টের কথা শুনছেন কিনা! শুনেও তারা কিছু করতে পারছেন কিনা! অন্যদিকে দলিত , আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লোকেরা উন্নয়নের ধারা থেকে ছিটকে পড়েছে। পিছিয়ে রাখা জনগোষ্ঠীর মধ্যে রাজনৈতিক, সামাজিক টানাপোড়েন রয়েছে।

রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নারী প্রার্থী ৫ শতাংশ দেওয়ার কথা থাকলেও বাসদ তা দিতে পারেনি। কেনো পারেনি এটার বাস্তবতা আছে। তবে ভাবতে হবে, এই প্রতিজ্ঞাটা আমাদের থাকা দরকার।

মানবেন্দ্র দেব বলেন, রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। যিনি ভোট দিতে পারেন, তিনি প্রার্থীও হতে পারেন। কিন্তু একজন প্রার্থীর জামানত ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা হয়েছে। যার ফলে একজন নাগরিক আর্থিক সমস্যার কারণে প্রার্থী হতে পারবেন না। যিনি এই প্রক্রিয়ার মধ্যে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না, যারা প্রতিনিধিত্ব করছেন তারা ওই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করেন না।

মাসুদ করিম বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোতে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৩ শতাংশ। বিএনপিতে নারী প্রার্থী ১০ জন। অন্যান্য দলে কিছুসংখ্যক নারী প্রার্থী রয়েছে। গত কয়েক বছরের সংসদে নারী প্রধানমন্ত্রী, নারী বিরোধী নেত্রী ছিলেন। এবারের নির্বাচনে যে আসনে পুরুষ প্রার্থীর বিজয়ের সম্ভাবনা নেই সেই আসনে নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। সংরক্ষিত নারী আসনে যারা মনোনীত হয়েছিলেন, তারা এবার সরাসরি মনোনীত হননি।

ইসরাত জাহান উর্মি বলেন, গণমাধ্যমে নির্বাচনে নারীকে নিয়ে নিউজ করা হয়, নারী তাড়াতাড়ি রান্নাবান্না করে ভোট দিতে এসেছে। কিন্তু নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা উঠলেই বলা হয়, নারী বেশি কথা বলছে। তাদের গলার আওয়াজ বেশি শোনা যাচ্ছে।