ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি,‘না’ মানে গোলামি: জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 10

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আসন্ন নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এই ভোটই স্বাধীনতা ও মর্যাদার প্রতীক। তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে ভাতার রাজনীতি নয়, কর্মসংস্থান, যুব নেতৃত্ব এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গড়াই হবে জামায়াতের মূল লক্ষ্য।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকায় জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে আজাদি ও আত্মমর্যাদা, আর ‘না’ ভোট মানে গোলামি।

“আমাদের প্রথম ভোট হবে ‘হ্যাঁ’ ভোট। সবাই যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করে, তাহলে দেশ জয়ী হবে,” বলেন তিনি।

গত ৫৪ বছরে দেশ পরিচালনার ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ সময় যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল, তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেনি।

“ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হয়নি। অনেক তরুণ মাদক ও নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে। এদের জন্য আমাদের মায়া হয়,” বলেন জামায়াত আমির।

বেকার ভাতা প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে এই পথে হাঁটবে না।

“আমরা বেকার ভাতা দেব না। রাষ্ট্রের টাকা থাকলেও দেব না। এতে বেকারত্ব কমবে না, বরং আরও বাড়বে। আমরা ভাতা নয়, কাজ দেব,” বলেন তিনি।

তার মতে, টেকসই কর্মসংস্থানই বেকারত্ব দূর করার একমাত্র কার্যকর উপায়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের অগ্রগতির মূল শক্তি হচ্ছে তরুণ সমাজ।

“তরুণদের শক্তিতেই দেশ এগিয়ে যাবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা যুবকদের সামনে এগিয়ে নিচ্ছি,” বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়েই তরুণদের সম্পৃক্ত করতে চায় জামায়াত।

ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রের চেহারা বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, দেশকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে, যাতে মানুষ গর্ব করতে পারে।

“দায়িত্ব পেলে সারাদেশকে ফুলের মতো সাজানো হবে। এমন একটি দেশ গড়া হবে, যেটা নিয়ে মানুষ গর্ব করবে,” বলেন তিনি।

একই সঙ্গে তিনি দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

“আমরা চাঁদাবাজি করবো না, দুর্নীতি করবো না, প্রশ্রয়ও দেব না,” বলেন জামায়াত আমির।

তিনি দাবি করেন, ভোটাররা এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।

“নিশ্চয়ই মানুষ ঠিক করে ফেলেছে কাকে ভোট দেবে,” বলেন তিনি।

বক্তব্যের শেষে জামায়াতে ইসলামীর আমির দলীয় প্রতীক প্রার্থী ড. আব্দুল মান্নানের হাতে তুলে দেন।

একই সঙ্গে ঢাকা-৮ আসনের জোট প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর হাতেও ‘শাপলা কলি’ প্রতীক হস্তান্তর করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি,‘না’ মানে গোলামি: জামায়াত আমির

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আসন্ন নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এই ভোটই স্বাধীনতা ও মর্যাদার প্রতীক। তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে ভাতার রাজনীতি নয়, কর্মসংস্থান, যুব নেতৃত্ব এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গড়াই হবে জামায়াতের মূল লক্ষ্য।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকায় জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে আজাদি ও আত্মমর্যাদা, আর ‘না’ ভোট মানে গোলামি।

“আমাদের প্রথম ভোট হবে ‘হ্যাঁ’ ভোট। সবাই যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করে, তাহলে দেশ জয়ী হবে,” বলেন তিনি।

গত ৫৪ বছরে দেশ পরিচালনার ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ সময় যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল, তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেনি।

“ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হয়নি। অনেক তরুণ মাদক ও নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে। এদের জন্য আমাদের মায়া হয়,” বলেন জামায়াত আমির।

বেকার ভাতা প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে এই পথে হাঁটবে না।

“আমরা বেকার ভাতা দেব না। রাষ্ট্রের টাকা থাকলেও দেব না। এতে বেকারত্ব কমবে না, বরং আরও বাড়বে। আমরা ভাতা নয়, কাজ দেব,” বলেন তিনি।

তার মতে, টেকসই কর্মসংস্থানই বেকারত্ব দূর করার একমাত্র কার্যকর উপায়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের অগ্রগতির মূল শক্তি হচ্ছে তরুণ সমাজ।

“তরুণদের শক্তিতেই দেশ এগিয়ে যাবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা যুবকদের সামনে এগিয়ে নিচ্ছি,” বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়েই তরুণদের সম্পৃক্ত করতে চায় জামায়াত।

ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রের চেহারা বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, দেশকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে, যাতে মানুষ গর্ব করতে পারে।

“দায়িত্ব পেলে সারাদেশকে ফুলের মতো সাজানো হবে। এমন একটি দেশ গড়া হবে, যেটা নিয়ে মানুষ গর্ব করবে,” বলেন তিনি।

একই সঙ্গে তিনি দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

“আমরা চাঁদাবাজি করবো না, দুর্নীতি করবো না, প্রশ্রয়ও দেব না,” বলেন জামায়াত আমির।

তিনি দাবি করেন, ভোটাররা এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।

“নিশ্চয়ই মানুষ ঠিক করে ফেলেছে কাকে ভোট দেবে,” বলেন তিনি।

বক্তব্যের শেষে জামায়াতে ইসলামীর আমির দলীয় প্রতীক প্রার্থী ড. আব্দুল মান্নানের হাতে তুলে দেন।

একই সঙ্গে ঢাকা-৮ আসনের জোট প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর হাতেও ‘শাপলা কলি’ প্রতীক হস্তান্তর করা হয়।