ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে হাসিনার বক্তব্য প্রকাশের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 18

বাংলাদেশ সরকার

বাংলাদেশ ভারতে পালানো শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি দেওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। বাংলাদেশ সরকার মনে করে, এটি আন্তর্জাতিক ও দ্বিপাক্ষিক বাধ্যবাধকতার লঙ্ঘন, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

রবিবার (২৫ জানুয়ারী) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে ভারতের সিদ্ধান্তকে “বিস্ময়কর ও গভীরভাবে উদ্বেগজনক” আখ্যা দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২৩ জানুয়ারি শেখ হাসিনা উন্মুক্তভাবে বাংলাদেশের সরকার অপসারণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং তার দলের সমর্থক ও সাধারণ মানুষকে আসন্ন নির্বাচনে সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দিয়েছেন।

বাংলাদেশ ভারতের দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাকে হস্তান্তরের বাধ্যবাধকতা পূরণ না করার অভিযোগ তুলেছে। বরঞ্চ, তাকে ভারতের মাটিতে এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে এভাবে জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি দেওয়া আন্তঃরাষ্ট্রীয় নীতি ও স্বীকৃত আচরণবিধির পরিপন্থী। এটি সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের একটি স্পষ্ট উদাহরণ।

সরকার জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য বিপজ্জনক নজির স্থাপন করেছে এবং নির্বাচিত সরকারগুলোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের এই উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলের কার্যক্রম সীমিত করতে বাধ্য হয়েছিল। নির্বাচনের আগে বা সময়ে সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংঘটিত হলে তার দায় আওয়ামী লীগকেই নিতে হবে। বাংলাদেশ যথাযথ ব্যবস্থা নেবে এই ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ভারতে হাসিনার বক্তব্য প্রকাশের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশে

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ভারতে পালানো শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি দেওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। বাংলাদেশ সরকার মনে করে, এটি আন্তর্জাতিক ও দ্বিপাক্ষিক বাধ্যবাধকতার লঙ্ঘন, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

রবিবার (২৫ জানুয়ারী) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে ভারতের সিদ্ধান্তকে “বিস্ময়কর ও গভীরভাবে উদ্বেগজনক” আখ্যা দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২৩ জানুয়ারি শেখ হাসিনা উন্মুক্তভাবে বাংলাদেশের সরকার অপসারণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং তার দলের সমর্থক ও সাধারণ মানুষকে আসন্ন নির্বাচনে সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দিয়েছেন।

বাংলাদেশ ভারতের দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাকে হস্তান্তরের বাধ্যবাধকতা পূরণ না করার অভিযোগ তুলেছে। বরঞ্চ, তাকে ভারতের মাটিতে এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে এভাবে জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি দেওয়া আন্তঃরাষ্ট্রীয় নীতি ও স্বীকৃত আচরণবিধির পরিপন্থী। এটি সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের একটি স্পষ্ট উদাহরণ।

সরকার জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য বিপজ্জনক নজির স্থাপন করেছে এবং নির্বাচিত সরকারগুলোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের এই উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলের কার্যক্রম সীমিত করতে বাধ্য হয়েছিল। নির্বাচনের আগে বা সময়ে সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংঘটিত হলে তার দায় আওয়ামী লীগকেই নিতে হবে। বাংলাদেশ যথাযথ ব্যবস্থা নেবে এই ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে।