ঢাকা ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইএইএ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের অনুমতি চাইলো

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 19

IAEA Iran

জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষক সংস্থা, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-র প্রধান রাফায়েল গ্রোসি ইরানকে বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে পরিদর্শনের অনুমতি দিতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন, ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের অবস্থান যাচাই না হওয়া অবস্থায় পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গ্রোসি বলেন, “এক সময় আমাকে বলতে হবে—আমি জানি না এই উপাদানগুলো কোথায় আছে।” তিনি জানিয়েছেন, ইরানের ১৩টি ঘোষিত পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করা গেছে, কিন্তু নাতানজ, ফোর্দো ও ইসফাহান—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এখনও যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

গ্রোসি আরও বলেন, প্রায় ৪৪০ দশমিক ৯ কেজি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যদি আরও সমৃদ্ধ করা হয়, তা তাত্ত্বিকভাবে প্রায় ১০টি পারমাণবিক বোমা তৈরির সক্ষমতা রাখে। তবে আপাতত উপাদান সরিয়ে নেওয়ার কোনো প্রমাণ নেই। তিনি ইরানের সহযোগিতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

আইএইএ প্রধান উল্লেখ করেন, পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) মানা ঐচ্ছিক নয় এবং এই পরিমাণ ইউরেনিয়ামের মাসিক পরিদর্শন সাত মাস ধরে সম্ভব হয়নি। বিক্ষোভ ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পরিদর্শন বিলম্বিত হয়েছে, তবে পরিস্থিতি এখন শান্ত হওয়ায় শিগগিরই পরিদর্শন পুনরায় শুরু হতে পারে।

গ্রোসি যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফের নেতৃত্বে চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি সতর্ক করেছেন, নতুন কোনো সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা ছাড়াই সমঝোতায় পৌঁছানো জরুরি।

এছাড়া, আগামী দিনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আইএইএ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের অনুমতি চাইলো

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষক সংস্থা, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-র প্রধান রাফায়েল গ্রোসি ইরানকে বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে পরিদর্শনের অনুমতি দিতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন, ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের অবস্থান যাচাই না হওয়া অবস্থায় পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গ্রোসি বলেন, “এক সময় আমাকে বলতে হবে—আমি জানি না এই উপাদানগুলো কোথায় আছে।” তিনি জানিয়েছেন, ইরানের ১৩টি ঘোষিত পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করা গেছে, কিন্তু নাতানজ, ফোর্দো ও ইসফাহান—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এখনও যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

গ্রোসি আরও বলেন, প্রায় ৪৪০ দশমিক ৯ কেজি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যদি আরও সমৃদ্ধ করা হয়, তা তাত্ত্বিকভাবে প্রায় ১০টি পারমাণবিক বোমা তৈরির সক্ষমতা রাখে। তবে আপাতত উপাদান সরিয়ে নেওয়ার কোনো প্রমাণ নেই। তিনি ইরানের সহযোগিতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

আইএইএ প্রধান উল্লেখ করেন, পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) মানা ঐচ্ছিক নয় এবং এই পরিমাণ ইউরেনিয়ামের মাসিক পরিদর্শন সাত মাস ধরে সম্ভব হয়নি। বিক্ষোভ ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পরিদর্শন বিলম্বিত হয়েছে, তবে পরিস্থিতি এখন শান্ত হওয়ায় শিগগিরই পরিদর্শন পুনরায় শুরু হতে পারে।

গ্রোসি যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফের নেতৃত্বে চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি সতর্ক করেছেন, নতুন কোনো সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা ছাড়াই সমঝোতায় পৌঁছানো জরুরি।

এছাড়া, আগামী দিনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে।