ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রয়াত হাদির ভাইয়ের নিয়োগ নিয়ে সমালোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৩:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 76

প্রয়াত ওসমান গনি হাদির ভাই ওমর বিন হাদিকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে অবস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে চুক্তিভিত্তিকভাবে ওমর বিন হাদিকে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও প্রয়াত নেতা শরিফ ওসমান বিন হাদির ভাই। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা হয়।

 

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যোগদানের দিন থেকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবুল হায়াত মো. রফিক একই দিনে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন। এতে বলা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ নিয়োগের অন্যান্য শর্তাবলি সংশ্লিষ্ট চুক্তিপত্রে নির্ধারিত থাকবে।

 

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়োগকালীন সময়ে ওমর বিন হাদি কোনো ধরনের পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না। অর্থাৎ, পুরো মেয়াদে তাকে পেশাগত সব ধরনের সম্পৃক্ততা থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে সরকারি দায়িত্ব পালন করতে হবে।

 

উল্লেখ্য, শরিফ ওসমান হাদি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তিনি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম ইনকিলাব মঞ্চ প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন।

 

তবে নির্বাচনী প্রচারণার মধ্যেই গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। মাথা ও ডান কানের নিচে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।

 

শরিফ ওসমান বিন হাদির ভাইয়ের এই নিয়োগ নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই একে ‘কোটা’য় নিয়োগ পাওয়া বলে দাবি করেছেন। বলছেন, যারা ‘কোটা’ বিরুদ্ধে আন্দোলন করলেন, তারাই এখন আবার কোটায় সুযোগ নিচ্ছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রয়াত হাদির ভাইয়ের নিয়োগ নিয়ে সমালোচনা

সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৩:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে অবস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে চুক্তিভিত্তিকভাবে ওমর বিন হাদিকে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও প্রয়াত নেতা শরিফ ওসমান বিন হাদির ভাই। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা হয়।

 

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যোগদানের দিন থেকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবুল হায়াত মো. রফিক একই দিনে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন। এতে বলা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ নিয়োগের অন্যান্য শর্তাবলি সংশ্লিষ্ট চুক্তিপত্রে নির্ধারিত থাকবে।

 

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়োগকালীন সময়ে ওমর বিন হাদি কোনো ধরনের পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না। অর্থাৎ, পুরো মেয়াদে তাকে পেশাগত সব ধরনের সম্পৃক্ততা থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে সরকারি দায়িত্ব পালন করতে হবে।

 

উল্লেখ্য, শরিফ ওসমান হাদি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তিনি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম ইনকিলাব মঞ্চ প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন।

 

তবে নির্বাচনী প্রচারণার মধ্যেই গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। মাথা ও ডান কানের নিচে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।

 

শরিফ ওসমান বিন হাদির ভাইয়ের এই নিয়োগ নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই একে ‘কোটা’য় নিয়োগ পাওয়া বলে দাবি করেছেন। বলছেন, যারা ‘কোটা’ বিরুদ্ধে আন্দোলন করলেন, তারাই এখন আবার কোটায় সুযোগ নিচ্ছেন।