ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লুট অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 42

লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ পুরোপুরি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন প্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং র‍্যাব মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

পিটিশনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন থানা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যালয় থেকে ৫,৭৫০টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ লাখ ৫১ হাজার ৬০৯ রাউন্ড গোলাবারুদ লুট হয়। সরকারের পুরস্কার ঘোষণা সত্ত্বেও এখনো এসবের উল্লেখযোগ্য অংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে থাকায় আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ভোটার ও প্রার্থীদের জীবন বিপন্ন। ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন রক্তক্ষয়ী হতে পারে। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা অত্যন্ত জরুরি।

আইনজীবী মাহমুদুল হাসান বলেন, সরকার কিছু প্রার্থীর জন্য গানম্যানের ব্যবস্থা করলেও দেশের সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা বাংলাদেশ সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার ও প্রার্থীর ‘জীবনের অধিকার’ লঙ্ঘন করবে।

রিটে চাওয়া হয়েছে, সব লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার না হওয়া এবং নিরাপদ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হোক।

এর আগে, লুট হওয়া মারণাস্ত্র ও গোলাবারুদের একটি বড় অংশ এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ১৪ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান সংশ্লিষ্টদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে বলেছেন, সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট করা হবে। রিটটি সেই ধারাবাহিকতায় করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

লুট অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ পুরোপুরি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন প্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং র‍্যাব মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

পিটিশনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন থানা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যালয় থেকে ৫,৭৫০টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ লাখ ৫১ হাজার ৬০৯ রাউন্ড গোলাবারুদ লুট হয়। সরকারের পুরস্কার ঘোষণা সত্ত্বেও এখনো এসবের উল্লেখযোগ্য অংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে থাকায় আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ভোটার ও প্রার্থীদের জীবন বিপন্ন। ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন রক্তক্ষয়ী হতে পারে। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা অত্যন্ত জরুরি।

আইনজীবী মাহমুদুল হাসান বলেন, সরকার কিছু প্রার্থীর জন্য গানম্যানের ব্যবস্থা করলেও দেশের সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা বাংলাদেশ সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার ও প্রার্থীর ‘জীবনের অধিকার’ লঙ্ঘন করবে।

রিটে চাওয়া হয়েছে, সব লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার না হওয়া এবং নিরাপদ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হোক।

এর আগে, লুট হওয়া মারণাস্ত্র ও গোলাবারুদের একটি বড় অংশ এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ১৪ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান সংশ্লিষ্টদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে বলেছেন, সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট করা হবে। রিটটি সেই ধারাবাহিকতায় করা হয়েছে।