ঢাকা ১১:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরানোর চেষ্টা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৮:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 30

ছবি সংগৃহীত

গোপালগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানি শেষে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। ইসিতে শুনানি শেষে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইসিতে শুনানি শেষে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতে পরিকল্পিতভাবে আপত্তি তোলা, কাগজপত্র নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি ও শুনানিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, যা ভোটের অধিকার খর্ব করার প্রচেষ্টা।

তিনি জানান, আশরাফুল আলম ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন এবং নৌকার বিপক্ষে জগ মার্কা নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। কিন্তু এবার মনোনয়নপত্রের একটি স্বাক্ষর নিয়ে পরিকল্পিতভাবে আপত্তি তোলা হয়। শুনানিতে প্রমাণ উপস্থাপন সত্ত্বেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করেন।

শাহরিয়ার কবির বলেন, ভোট একটি আমানত এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মাঠছাড়া করার এই চেষ্টা স্পষ্ট ষড়যন্ত্র ও ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’। অতীতে মেয়র ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত আশরাফুল আলমকে বিতর্কিত করার এই প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

নির্বাচনের সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০–১৮ জানুয়ারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ২১ জানুয়ারি প্রকাশ হবে। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরানোর চেষ্টা হচ্ছে

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৮:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

গোপালগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানি শেষে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। ইসিতে শুনানি শেষে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইসিতে শুনানি শেষে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতে পরিকল্পিতভাবে আপত্তি তোলা, কাগজপত্র নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি ও শুনানিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, যা ভোটের অধিকার খর্ব করার প্রচেষ্টা।

তিনি জানান, আশরাফুল আলম ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন এবং নৌকার বিপক্ষে জগ মার্কা নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। কিন্তু এবার মনোনয়নপত্রের একটি স্বাক্ষর নিয়ে পরিকল্পিতভাবে আপত্তি তোলা হয়। শুনানিতে প্রমাণ উপস্থাপন সত্ত্বেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করেন।

শাহরিয়ার কবির বলেন, ভোট একটি আমানত এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মাঠছাড়া করার এই চেষ্টা স্পষ্ট ষড়যন্ত্র ও ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’। অতীতে মেয়র ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত আশরাফুল আলমকে বিতর্কিত করার এই প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

নির্বাচনের সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০–১৮ জানুয়ারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ২১ জানুয়ারি প্রকাশ হবে। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।