ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানের পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 24

ফাইল ছবি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি বলেছেন, দেশটিতে চলমান বিক্ষোভ এখন “সন্ত্রাসী যুদ্ধে” পরিণত হয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে। তিনি বিদেশি হস্তক্ষেপকে দায়ী করে বলেছেন, সন্ত্রাসীদের নির্দেশনা দেশের বাইরে থেকে দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আলাপকালে আরাগচি বলেন, সরকার ও সামরিক বাহিনী সবসময় তৎপর, সন্ত্রাসীরা কখনও জয়ী হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বা সংলাপের জন্য ইরান প্রস্তুত।

বিক্ষোভের মূল কারণ হিসেবে তিনি অর্থনৈতিক সংকট ও মূল্যস্ফীতি উল্লেখ করেন। দীর্ঘদিনের মুদ্রা অবমূল্যায়ন ও দারিদ্র্যের কারণে সাধারণ জনগণ খাদ্য, বাসস্থান ও চিকিৎসা খরচ মেটাতে সমস্যায় পড়েছে। চলতি আন্দোলন শুরু হয় গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের বাজারে ধর্মঘটের মাধ্যমে এবং দ্রুত দেশের ৩১টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিক্ষোভকে সমর্থন জানানোয় ইরানি সরকার প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন ও জনগণের কথা শোনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরানের পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি বলেছেন, দেশটিতে চলমান বিক্ষোভ এখন “সন্ত্রাসী যুদ্ধে” পরিণত হয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে। তিনি বিদেশি হস্তক্ষেপকে দায়ী করে বলেছেন, সন্ত্রাসীদের নির্দেশনা দেশের বাইরে থেকে দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আলাপকালে আরাগচি বলেন, সরকার ও সামরিক বাহিনী সবসময় তৎপর, সন্ত্রাসীরা কখনও জয়ী হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বা সংলাপের জন্য ইরান প্রস্তুত।

বিক্ষোভের মূল কারণ হিসেবে তিনি অর্থনৈতিক সংকট ও মূল্যস্ফীতি উল্লেখ করেন। দীর্ঘদিনের মুদ্রা অবমূল্যায়ন ও দারিদ্র্যের কারণে সাধারণ জনগণ খাদ্য, বাসস্থান ও চিকিৎসা খরচ মেটাতে সমস্যায় পড়েছে। চলতি আন্দোলন শুরু হয় গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের বাজারে ধর্মঘটের মাধ্যমে এবং দ্রুত দেশের ৩১টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিক্ষোভকে সমর্থন জানানোয় ইরানি সরকার প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন ও জনগণের কথা শোনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।