প্রচারণা শুরু হলে নির্বাচনের প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে: মির্জা ফখরুল
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
- / 41
বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ মোটামুটি ভালো মনে হলেও প্রকৃত অবস্থা বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে স্পষ্ট করে কিছু বলা যাবে না।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ির নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, এ মুহূর্তে দলগুলো সাংগঠনিক প্রস্তুতি ও মনোনয়নসংক্রান্ত কাজ গুছিয়ে নিচ্ছে। প্রচার শুরু হলে তখনই নির্বাচনের বাস্তব চিত্র সামনে আসবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। এখনো অস্ত্র উদ্ধারসহ আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হয়নি। তবে নির্বাচন চলাকালে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বড় দুটি দল ভোট টানার চেষ্টা করছে—এমন প্রশ্নে বিএনপির মহাসচিব বলেন, বড় দল বলতে আসলে কাকে বোঝানো হচ্ছে, সেটাই প্রশ্ন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এখন নিষিদ্ধ। বিএনপি একটি পরীক্ষিত রাজনৈতিক দল, যারা অতীতে একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন, সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। বিএনপির ৩১ দফা এবং সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনাগুলোতেও এসব বিষয় প্রতিফলিত হয়েছে।
দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি অবশ্যই উত্তরাঞ্চলে আসবেন। বগুড়া ও দিনাজপুরে পারিবারিক স্মৃতিবিজড়িত স্থান এবং রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবরসহ অন্যান্য শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণভোটে প্রচার চালানো বিএনপির দায়িত্ব নয়। জনগণই ঠিক করবে তারা ‘হ্যাঁ’ না ‘না’ ভোট দেবে। বিএনপি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে জানে এবং অতীতেও তা প্রমাণ করেছে।
তিস্তা ও অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন ইস্যুতে মির্জা ফখরুল বলেন, ক্ষমতায় গেলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে তিস্তা, পদ্মা ও অন্যান্য অভিন্ন নদীর ন্যায্য হিস্যা আদায়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। পারস্পরিক সম্মান ও কূটনৈতিক আচরণের মাধ্যমে এসব দাবি আদায় সম্ভব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
































