ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জিয়াউল আহসান দুদকের হাতে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 40

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখান। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের উপপরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম গ্রেপ্তারের আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আদাবর থানার একটি মামলায় জিয়াউল আহসান ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আটক রয়েছেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

জানা গেছে, গত বছরের ২৩ জানুয়ারি দুদকের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন বাদী হয়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া জিয়াউল আহসান নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকা সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া গাইডলাইন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রান্সজেকশন-২০১৮ ও ২০২০ সালের এফইপিডি সার্কুলার-৬ অনুযায়ী অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা দিয়েছেন।

বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছে। তিনি নিজ নামে ৮টি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন।

একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে তিনি নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জিয়াউল আহসান দুদকের হাতে আটক

সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখান। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের উপপরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম গ্রেপ্তারের আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আদাবর থানার একটি মামলায় জিয়াউল আহসান ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আটক রয়েছেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

জানা গেছে, গত বছরের ২৩ জানুয়ারি দুদকের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন বাদী হয়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া জিয়াউল আহসান নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকা সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া গাইডলাইন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রান্সজেকশন-২০১৮ ও ২০২০ সালের এফইপিডি সার্কুলার-৬ অনুযায়ী অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা দিয়েছেন।

বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছে। তিনি নিজ নামে ৮টি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন।

একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে তিনি নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।