বিদায় নিলেন আমোরিম, উচ্ছ্বাসে ম্যানইউ ফ্যানরা
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৩:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / 77
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচ রুবেন আমোরিমের আচমকা বরখাস্তের খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর ক্লাবের খেলোয়াড়দের প্রতিক্রিয়া মিশ্র। কিছু খেলোয়াড় দুঃখ প্রকাশ করেছেন, তবে অনেকেই এই খবরকে কৌতুক বা উল্লাসের সঙ্গে নেন। বিশেষ করে মিডফিল্ডার কোবি মাইনু সামাজিক মাধ্যমে একাধিক পোস্ট করে হাসিঠাট্টা ও উল্লাস প্রকাশ করেছেন।
ইংলিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইল জানিয়েছে, ম্যানইউর অন্তত ৯ জন খেলোয়াড় আমোরিমের বিদায়ে খুশি হয়েছেন। সোমবার সকালে ছাঁটাইয়ের খবর প্রকাশিত হতেই অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজ, দিয়েগো দালোতসহ কিছু খেলোয়াড় কোচকে ধন্যবাদ ও বিদায়ী বার্তা দেন। তবে ৯ জন খেলোয়াড় এমন বার্তা দেননি। এর মধ্যে অন্যতম কোবি মাইনু। তিনি কোচকে শুভেচ্ছা জানাননি, তবে চুপও ছিলেন না।
২০ বছর বয়সী মাইনু ইনস্টাগ্রামে কয়েকটি মেমে পোস্ট করেছেন। একটির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “১০ মিলিয়ন পাউন্ড পাওয়ার পর আমিও হাসব!” উল্লেখ্য, বরখাস্তের পর আমোরিম চুক্তি অনুযায়ী ১০.০৫ মিলিয়ন পাউন্ড পান।
শুভেচ্ছা জানাননি এমন খেলোয়াড়দের মধ্যে আছেন গোলরক্ষক আলতাই বায়েনদির, সানে লেমেন্স, টম হিটন, আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, ডাচ ডিফেন্ডার টাইরেল মালাসিয়া, মরোক্কান ডিফেন্ডার নওসারি মাজরাউয়ি, ডেনিশ ফরোয়ার্ড চিদো ওবি ও উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ড ম্যানুয়েল উগার্তে।
কোবি মাইনুর উল্লাসের পেছনে স্পষ্ট কারণ রয়েছে। ম্যানইউ একাডেমি থেকে উঠে আসা মাইনু ক্লাবের মাঝমাঠে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পেতেন। কিন্তু আমোরিমের দায়িত্ব নেওয়ার পর মাইনু অনেক সময় দৃষ্টির আড়ালে চলে যান। মিডফিল্ডে তার প্রথম পছন্দ ছিলেন ক্যাসেমিরো ও ব্রুনো ফার্নান্দেজ। মাঝেমধ্যে বদলি হিসেবে মাঠে নামলেও তিনি তেমন কিছু করতে পারতেন না।
এভাবে ডাগআউটে বসে থাকতে থাকতে মাইনু ইংল্যান্ড জাতীয় দলেও উপেক্ষিত হতে থাকেন। তার মূল লক্ষ্য ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে খেলা। এই কারণেই তিনি জানুয়ারিতেই ন্যাপোলিতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। সাবেক দুই ম্যানইউ সতীর্থ স্কট ম্যানটোমিনে ও রাসমুস হুয়েলুন্দ তাকে সেখানে যাওয়ার জন্য উৎসাহ দিয়েছিলেন।
অন্যদিকে ব্রুনো ফার্নান্দেজও আমোরিমকে বিদায় জানানোর বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্বে ছিলেন। পর্তুগিজ মিডফিল্ডার ছয় মৌসুম ধরে ম্যানইউর প্লেমেকার হিসেবে খেলেছেন, কিন্তু আমোরিম তাকে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। একইভাবে রাইট উইঙ্গার আমাদ দিয়ালোও রাইটব্যাক হিসেবে খেলতে বাধ্য হন। ফলে ম্যানইউর খেলোয়াড়দের মধ্যে কোচের নীতি নিয়ে চাপা ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল।

































