হতাশা পেছনে ফেলে চিত্রাঙ্গদার নতুন শুরু
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:০০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
- / 72
বলিউডে একাধিক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করার পরও চিত্রাঙ্গদা সিংকে বড় তারকাদের সঙ্গে প্রধান ভূমিকায় দেখা যায়নি। ‘দেশি বয়েজ’, ‘হাউজফুল-৫’, ‘হাজারও খোয়াইশে অ্যায়সি’, ‘আই মি অউর ম্যায়’, ‘সাহেব বিবি অউর গ্যাংস্টার’, ‘বাজার’, ‘বব বিশ্বাস’, ‘পরিক্রমা’সহ ভিন্ন ধাঁচের সিনেমায় কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলেও নির্মাতাদের কাছে তিনি খানিকটা অবহেলিত ছিলেন। তবু চিত্রাঙ্গদা হাল ছাড়েননি।
অভিনয় ক্যারিয়ারের সব হতাশা ঝেড়ে ফেলে নতুন উদ্যমে পথচলা শুরু করেছেন এই অভিনেত্রী। ছোট পর্দা ও অনলাইন সিরিজে কাজ করে নতুন আত্মবিশ্বাস পেয়েছেন। বিশেষ করে ‘রাত আকেলি হ্যায়: দ্য বানসাল মার্ডারস’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে দর্শকের প্রশংসা পেয়ে অনুপ্রাণিত হয়েছেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চিত্রাঙ্গদা বলেন, “যে কোনো ভালো কাজ আত্মবিশ্বাস জোগায়। যেসব সিনেমায় অভিনয় করে আশার আলো দেখেছিলাম, তা কিছুটা হতাশাও দিয়েছে। তবে সেই হতাশা পেছনে ফেলে আমি নতুন করে পথচলা শুরু করেছি। দর্শকরা আমাকে এখনও মনে রেখেছে এবং আমার কাজগুলোকে গ্রহণ করছে। ‘রাত আকেলি হ্যায়: দ্য বানসাল মার্ডারস’-এর মাধ্যমে এ বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে। আমি চেষ্টা করছি আরও কিছু ভিন্ন ধাঁচের কাজের মাধ্যমে দর্শকের কাছে থাকা।”
চিত্রাঙ্গদা আরও বলেন, “মানসম্পন্ন কাজই স্থায়ী হয়, সেটা যে মাধ্যমেই হোক। সিনেমা বা সিরিজ—সব ক্ষেত্রে চরিত্রের অভিনয় মানুষ দীর্ঘদিন মনে রাখে। এটা সহজ নয়, কিন্তু সেই চেষ্টাই চালিয়ে যেতে হবে।”
তিনি জানালেন, “আমি বারবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে চেষ্টা করেছি। কাজের সংখ্যা কম হলেও মানুষ তা মনে রেখেছে। সংখ্যা বাড়ানোর চেয়ে ভালো কাজ বেছে নেওয়াই শ্রেয়। অনেকের নেতিবাচক মন্তব্য থাকলেও আমি তাদের সঙ্গে একমত নই। ধীরগতিতে কাজ করাই আমার মূল নীতি।”
চিত্রাঙ্গদার ভাষ্য, “অভিনয় ক্যারিয়ারের দুই দশক পার হলেও কোনো হতাশা আমাকে স্পর্শ করতে পারেনি। দর্শক বুঝতে পারেন, কাজের সংখ্যা নয়, ভালো কাজের মানই গুরুত্বপূর্ণ। গুটিকয়েক ভালো কাজও দর্শকের মনে স্থায়ী আসন গড়ে দিতে পারে।”






































