ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাবা-ছেলের লড়াই, হাতিয়াতে হান্নান মাসউদের প্রতিপক্ষ তার বাবা

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 122

হান্নান মাসউদ ও তার বাবাআমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক

নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যতিক্রমী এক রাজনৈতিক চিত্র সামনে এসেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ এবং তার বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক একই আসন থেকে পৃথক দলীয় পরিচয়ে প্রার্থী হয়েছেন।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কার্যালয়ে বাবা ও ছেলে উভয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

আব্দুল হান্নান মাসউদ জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। অপরদিকে তার বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) প্রার্থী হিসেবে একতারা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

একই আসনে বাবা–ছেলের প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে হাতিয়ায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের কেউ এটিকে প্রজন্মের রাজনৈতিক লড়াই হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন—এটি নির্বাচনী কৌশল কিংবা শক্তি প্রদর্শনের ভিন্ন রূপ। ভোটের মাঠে এই পরিস্থিতি প্রার্থীদের মধ্যে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এ বিষয়ে আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, তবে ভোটের রাজনীতিতে তার অভিজ্ঞতা নতুন। তিনি জানান, ভোটার হওয়ার পর এখনো কোনো জাতীয় বা স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ হয়নি। নিজের বাবাকে একজন অভিজ্ঞ ও প্রবীণ ব্যক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাবার নির্বাচনে অংশগ্রহণকে তিনি উৎসাহ দিয়েছেন এবং এই লড়াই থেকে নিজেও শেখার সুযোগ দেখছেন।

তিনি আরও জানান, শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে তিনি নির্বাচনী মাঠে থাকবেন এবং বাবার অংশগ্রহণকেও ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

অন্যদিকে, এ বিষয়ে আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেকের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৮৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন ৬২ জন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলবে।

উল্লেখ্য, নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসনে এবারের নির্বাচনে মোট ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীও এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা নির্বাচনী মাঠকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বাবা-ছেলের লড়াই, হাতিয়াতে হান্নান মাসউদের প্রতিপক্ষ তার বাবা

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যতিক্রমী এক রাজনৈতিক চিত্র সামনে এসেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ এবং তার বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক একই আসন থেকে পৃথক দলীয় পরিচয়ে প্রার্থী হয়েছেন।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কার্যালয়ে বাবা ও ছেলে উভয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

আব্দুল হান্নান মাসউদ জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। অপরদিকে তার বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) প্রার্থী হিসেবে একতারা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

একই আসনে বাবা–ছেলের প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে হাতিয়ায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের কেউ এটিকে প্রজন্মের রাজনৈতিক লড়াই হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন—এটি নির্বাচনী কৌশল কিংবা শক্তি প্রদর্শনের ভিন্ন রূপ। ভোটের মাঠে এই পরিস্থিতি প্রার্থীদের মধ্যে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এ বিষয়ে আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, তবে ভোটের রাজনীতিতে তার অভিজ্ঞতা নতুন। তিনি জানান, ভোটার হওয়ার পর এখনো কোনো জাতীয় বা স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ হয়নি। নিজের বাবাকে একজন অভিজ্ঞ ও প্রবীণ ব্যক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাবার নির্বাচনে অংশগ্রহণকে তিনি উৎসাহ দিয়েছেন এবং এই লড়াই থেকে নিজেও শেখার সুযোগ দেখছেন।

তিনি আরও জানান, শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে তিনি নির্বাচনী মাঠে থাকবেন এবং বাবার অংশগ্রহণকেও ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

অন্যদিকে, এ বিষয়ে আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেকের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৮৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন ৬২ জন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলবে।

উল্লেখ্য, নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসনে এবারের নির্বাচনে মোট ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীও এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা নির্বাচনী মাঠকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলেছে।