ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 82

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা- বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করেছে বরিশালের ছাত্র-জনতা।

‎রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকাল তিনটায় বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এসে বরিশাল নথুল্লাবাদ মোড়ে অবস্থান নেন তারা। এতে বরিশাল- ঢাকা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

‎মহাসড়ক অবরোধে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চ, ব্রজমোহন কলেজ, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

‎এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি লড়াই করে’,বিচার বিচার বিচার চাই, হাদী হত্যার বিচার চাই, ‘লীগ ধর, জেলে ভর’ ‘আমার ভাই মরলো কেন ইন্টেরিম জবাব দে’, ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘গোলামি না আজাদী, আজাদী আজাদী’সহ নানা স্লোগান দেন।

‎বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আতিক আবদুল্লাহ বলেন, ” হাদি বাংলার সাধারণের মাঝে অনন্য সাধারণ। হাদী হত্যার বিচার নিশ্চিত করার জন্য আমাদের অবরোধ শুধু আজকের জন্য না,বিচার নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত আমরা লড়ে যাবো।দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরনের জন্য যতদূর যাওয়া দরকার ততদূর যেতে আমরা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চ ও বরিশালবাসী প্রস্তুত ইনশাআল্লাহ।”

‎আন্দোলনকারী মহসিন উদ্দিন বলেন, “শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আমরা বরিশালের সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা আজকে এখানে একত্রিত হয়েছি। আমাদের একটাই দাবি অনতিবিলম্বে হত্যাকারী ও হত্যা ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচার না পাওয়া অব্দি আমাদের এই লড়াই চলবেই।”

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন শরীফ ওসমান বিন হাদি। মতিঝিল মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে আসা ফয়সাল করিম ও তার সহযোগীরা চলন্ত অবস্থায় তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা- বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করেছে বরিশালের ছাত্র-জনতা।

‎রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকাল তিনটায় বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এসে বরিশাল নথুল্লাবাদ মোড়ে অবস্থান নেন তারা। এতে বরিশাল- ঢাকা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

‎মহাসড়ক অবরোধে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চ, ব্রজমোহন কলেজ, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

‎এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি লড়াই করে’,বিচার বিচার বিচার চাই, হাদী হত্যার বিচার চাই, ‘লীগ ধর, জেলে ভর’ ‘আমার ভাই মরলো কেন ইন্টেরিম জবাব দে’, ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘গোলামি না আজাদী, আজাদী আজাদী’সহ নানা স্লোগান দেন।

‎বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আতিক আবদুল্লাহ বলেন, ” হাদি বাংলার সাধারণের মাঝে অনন্য সাধারণ। হাদী হত্যার বিচার নিশ্চিত করার জন্য আমাদের অবরোধ শুধু আজকের জন্য না,বিচার নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত আমরা লড়ে যাবো।দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরনের জন্য যতদূর যাওয়া দরকার ততদূর যেতে আমরা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চ ও বরিশালবাসী প্রস্তুত ইনশাআল্লাহ।”

‎আন্দোলনকারী মহসিন উদ্দিন বলেন, “শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আমরা বরিশালের সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা আজকে এখানে একত্রিত হয়েছি। আমাদের একটাই দাবি অনতিবিলম্বে হত্যাকারী ও হত্যা ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচার না পাওয়া অব্দি আমাদের এই লড়াই চলবেই।”

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন শরীফ ওসমান বিন হাদি। মতিঝিল মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে আসা ফয়সাল করিম ও তার সহযোগীরা চলন্ত অবস্থায় তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান।