ঢাকা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ফয়সাল ও তাঁর সহযোগী ভারতে পালিয়েছে

হাদি হত্যা মামলায় মেঘালয়ে গ্রেপ্তার ২ : ডিএমপি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 104

DMP Press Briefing

শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও তাঁর সহযোগী ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তাদের পালিয়ে যেতে সহায়তার অভিযোগে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে দুই ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে সেখানকার পুলিশ।

গ্রেপ্তার দুই ভারতীয় নাগরিকের নাম পূর্তি ও সামী। রোববার (আজ) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শহীদ হাদি হত্যাকাণ্ডটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। ঘটনার পর প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর শেখ প্রথমে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ঢাকা থেকে আমিনবাজারে যান। সেখান থেকে গাড়িতে করে কালামপুর হয়ে তারা ময়মনসিংহ সীমান্ত এলাকায় পৌঁছান।

সীমান্তে পৌঁছানোর পর ফিলিপ পাল ও সঞ্জয় নামের দুই ব্যক্তি অবৈধভাবে তাদের ভারতে প্রবেশ করান। পরে ফিলিপ পাল তাদের ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে ভারতীয় নাগরিক পূর্তির কাছে ফয়সাল ও আলমগীরকে হস্তান্তর করা হয়। এরপর সামী নামের আরেক ব্যক্তির গাড়িতে করে তারা আরও নিরাপদ স্থানে পালিয়ে যান।

অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম আরও জানান, হাদি হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পাশাপাশি চারজন সাক্ষীও আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

তিনি জানান, মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এই মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে জড়িত একাধিক ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে সবার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এটিকে একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলেই মনে করছে পুলিশ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফয়সাল ও তাঁর সহযোগী ভারতে পালিয়েছে

হাদি হত্যা মামলায় মেঘালয়ে গ্রেপ্তার ২ : ডিএমপি

সর্বশেষ আপডেট ০১:২০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও তাঁর সহযোগী ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তাদের পালিয়ে যেতে সহায়তার অভিযোগে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে দুই ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে সেখানকার পুলিশ।

গ্রেপ্তার দুই ভারতীয় নাগরিকের নাম পূর্তি ও সামী। রোববার (আজ) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শহীদ হাদি হত্যাকাণ্ডটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। ঘটনার পর প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর শেখ প্রথমে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ঢাকা থেকে আমিনবাজারে যান। সেখান থেকে গাড়িতে করে কালামপুর হয়ে তারা ময়মনসিংহ সীমান্ত এলাকায় পৌঁছান।

সীমান্তে পৌঁছানোর পর ফিলিপ পাল ও সঞ্জয় নামের দুই ব্যক্তি অবৈধভাবে তাদের ভারতে প্রবেশ করান। পরে ফিলিপ পাল তাদের ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে ভারতীয় নাগরিক পূর্তির কাছে ফয়সাল ও আলমগীরকে হস্তান্তর করা হয়। এরপর সামী নামের আরেক ব্যক্তির গাড়িতে করে তারা আরও নিরাপদ স্থানে পালিয়ে যান।

অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম আরও জানান, হাদি হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পাশাপাশি চারজন সাক্ষীও আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

তিনি জানান, মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এই মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে জড়িত একাধিক ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে সবার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এটিকে একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলেই মনে করছে পুলিশ।