ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের ঢল

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 126

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের শহরের লাবনী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার। শুক্রবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে এ এলাকায় পর্যটকের স্রোত দেখা যায়। সৈকতের বালিয়াড়ি আর মানুষ মিলেমিশে যেন একাকার।

সৈকতের পাশাপাশি পর্যটন জোন হিসেবে পরিচিত কলাতলীর হোটেল-মোটেল এলাকার সড়ক ছাড়াও পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে সৌন্দর্যপিপাসু মানুষের ঢল।

পর্যটকরা জানিয়েছেন, ভ্রমণ উপভোগ্য হলেও হোটেল-মোটেল ভাড়া বেশি থাকার কারণে তারা হতাশ। জিনিসপত্রের আকাশচুম্বী দাম।

পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, থার্টি ফার্স্ট নাইটের কয়েক দিন আগে বড়দিনসহ টানা তিন দিনের ছুটিতে কম হলেও কক্সবাজারে এখন দুই লাখের অধিক পর্যটক ভ্রমণে এসেছেন, যা চলতি বছরের রেকর্ড।

পর্যটক আলী বলেন, সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসেছি, কিন্তু জিনিসপত্রের অতিরিক্ত দামে হতাশ হতে হয়েছে।

হোটেল-রেস্তোরাঁর মালিক, ট্যুর অপারেটর, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো জানায়, গত বৃহস্পতিবার থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত আট দিনে অন্তত ৯ লাখের বেশি পর্যটকের সমাগম হতে পারে। বছরের শেষ ১০ দিনে হোটেল-রেস্তোরাঁ, শুঁটকি, মৎস্য, শামুক-ঝিনুকসহ ১৭টি খাতে হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হতে পারে। হোটেল-মোটেলের কক্ষ ১ জানুয়ারি পর্যন্ত বুকিং হয়ে গেছে। পাঁচ শতাধিক হোটেল মিলিয়ে প্রায় এক লাখ ৬৭ হাজার পর্যটকের ধারণক্ষমতা রয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের ঢল

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের শহরের লাবনী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার। শুক্রবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে এ এলাকায় পর্যটকের স্রোত দেখা যায়। সৈকতের বালিয়াড়ি আর মানুষ মিলেমিশে যেন একাকার।

সৈকতের পাশাপাশি পর্যটন জোন হিসেবে পরিচিত কলাতলীর হোটেল-মোটেল এলাকার সড়ক ছাড়াও পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে সৌন্দর্যপিপাসু মানুষের ঢল।

পর্যটকরা জানিয়েছেন, ভ্রমণ উপভোগ্য হলেও হোটেল-মোটেল ভাড়া বেশি থাকার কারণে তারা হতাশ। জিনিসপত্রের আকাশচুম্বী দাম।

পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, থার্টি ফার্স্ট নাইটের কয়েক দিন আগে বড়দিনসহ টানা তিন দিনের ছুটিতে কম হলেও কক্সবাজারে এখন দুই লাখের অধিক পর্যটক ভ্রমণে এসেছেন, যা চলতি বছরের রেকর্ড।

পর্যটক আলী বলেন, সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসেছি, কিন্তু জিনিসপত্রের অতিরিক্ত দামে হতাশ হতে হয়েছে।

হোটেল-রেস্তোরাঁর মালিক, ট্যুর অপারেটর, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো জানায়, গত বৃহস্পতিবার থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত আট দিনে অন্তত ৯ লাখের বেশি পর্যটকের সমাগম হতে পারে। বছরের শেষ ১০ দিনে হোটেল-রেস্তোরাঁ, শুঁটকি, মৎস্য, শামুক-ঝিনুকসহ ১৭টি খাতে হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হতে পারে। হোটেল-মোটেলের কক্ষ ১ জানুয়ারি পর্যন্ত বুকিং হয়ে গেছে। পাঁচ শতাধিক হোটেল মিলিয়ে প্রায় এক লাখ ৬৭ হাজার পর্যটকের ধারণক্ষমতা রয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।