ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এডিবির সঙ্গে ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর

চট্টগ্রামে না থামিয়ে কক্সবাজারে সরাসরি ট্রেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 107

চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার রেলপথ উন্নয়নে আট হাজার ২৮০ কোটি টাকার সমপরিমাণ ৬৯ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। দক্ষিণ এশিয়া উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা-চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথ প্রকল্পটির আওতায় আড়াই কিলোমিটার বাইপাস সড়কও নির্মাণ করা হবে। এর ফলে চট্টগ্রাম স্টেশনে না থামিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে সরাসরি ট্রেন যোগাযোগ চালু করা সম্ভব হবে।

প্রকল্পটির মাধ্যমে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার করিডোর বরাবর নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ স্থাপনে আঞ্চলিক পরিবহন সেবায় গতি আসবে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাড়াবে উল্লেখযোগ্য হারে। ‘চট্টগ্রাম-দোহাজারী মিটার গেজ রেলপথকে ডুয়েল গেজ রেলপথে রূপান্তর’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

সোমবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) কার্যালয়ে এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার এবং এডিবির মধ্যে একটি ঋণচুক্তি সই হয়। ইআরডি সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জিওং চুক্তি স্বাক্ষর করেন। দুই পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ৫ বছরের রেয়াতকালসহ ২৫ বছরে এই ঋণ পরিশোধ করা যাবে। ইআরডি ও এডিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, এই প্রকল্পটি ঢাকা ও কক্সবাজারের মধ্যে রেল যোগাযোগে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ফলে সড়ক পরিবহন থেকে রেল পরিবহনে ঝুঁকবে এ অঞ্চলে যোগাযোগ কাঠামো। তিনি আশা করেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার করিডোরকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড জোরদার হবে, বিশেষ করে পর্যটন এবং মৎস্য শিল্পে গতি আনবে।

জানা গেছে, প্রকল্পটির উদ্দেশ্য হচ্ছে চট্টগ্রাম-দোহাজারী অংশে ৫২ কিলোমিটার ট্র্যাককে ডুয়েল গেজ ট্র্যাকে রূপান্তর করা, নির্মাণাধীন দোহাজারী-কক্সবাজার রেল করিডোরের সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল করিডোরের সংযোগ স্থাপন এবং এর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকা ও পর্যটন নগরী কক্সবাজারের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন রেল সেবা চালু করা। এ ছাড়াও এই লাইনে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর গতিসীমা বাড়ানো, পুরোনো লোকোমোটিভ প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ এবং নতুন ৩০টি লোকোমোটিভ সংগ্রহ ও চাহিদা অনুযায়ী নতুন ট্রেন পরিচালনা করা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এডিবির সঙ্গে ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর

চট্টগ্রামে না থামিয়ে কক্সবাজারে সরাসরি ট্রেন

সর্বশেষ আপডেট ০১:২০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার রেলপথ উন্নয়নে আট হাজার ২৮০ কোটি টাকার সমপরিমাণ ৬৯ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। দক্ষিণ এশিয়া উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা-চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথ প্রকল্পটির আওতায় আড়াই কিলোমিটার বাইপাস সড়কও নির্মাণ করা হবে। এর ফলে চট্টগ্রাম স্টেশনে না থামিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে সরাসরি ট্রেন যোগাযোগ চালু করা সম্ভব হবে।

প্রকল্পটির মাধ্যমে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার করিডোর বরাবর নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ স্থাপনে আঞ্চলিক পরিবহন সেবায় গতি আসবে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাড়াবে উল্লেখযোগ্য হারে। ‘চট্টগ্রাম-দোহাজারী মিটার গেজ রেলপথকে ডুয়েল গেজ রেলপথে রূপান্তর’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

সোমবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) কার্যালয়ে এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার এবং এডিবির মধ্যে একটি ঋণচুক্তি সই হয়। ইআরডি সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জিওং চুক্তি স্বাক্ষর করেন। দুই পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ৫ বছরের রেয়াতকালসহ ২৫ বছরে এই ঋণ পরিশোধ করা যাবে। ইআরডি ও এডিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, এই প্রকল্পটি ঢাকা ও কক্সবাজারের মধ্যে রেল যোগাযোগে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ফলে সড়ক পরিবহন থেকে রেল পরিবহনে ঝুঁকবে এ অঞ্চলে যোগাযোগ কাঠামো। তিনি আশা করেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার করিডোরকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড জোরদার হবে, বিশেষ করে পর্যটন এবং মৎস্য শিল্পে গতি আনবে।

জানা গেছে, প্রকল্পটির উদ্দেশ্য হচ্ছে চট্টগ্রাম-দোহাজারী অংশে ৫২ কিলোমিটার ট্র্যাককে ডুয়েল গেজ ট্র্যাকে রূপান্তর করা, নির্মাণাধীন দোহাজারী-কক্সবাজার রেল করিডোরের সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল করিডোরের সংযোগ স্থাপন এবং এর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকা ও পর্যটন নগরী কক্সবাজারের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন রেল সেবা চালু করা। এ ছাড়াও এই লাইনে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর গতিসীমা বাড়ানো, পুরোনো লোকোমোটিভ প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ এবং নতুন ৩০টি লোকোমোটিভ সংগ্রহ ও চাহিদা অনুযায়ী নতুন ট্রেন পরিচালনা করা।