ওসমান হাদির মরদেহ সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৫১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 73
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবী ওসমান হাদির মরদেহ শনিবার (২০ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছেছে। সকাল থেকে সহযোদ্ধা ও সমর্থকদের অংশগ্রহণে হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে মিছিলের মাধ্যমে মরদেহ নেওয়া হয়েছে।
সকালেই ওসমান হাদির মরদেহের ময়নাতদন্ত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে সম্পন্ন হয়। পরে মরদেহ হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে আনা হয়, যেখানে গোসল শেষে সমর্থক ও সহযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে মিছিলসহ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আনা হয়। দুপুর ২টায় এখানে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবারের চাওয়ায় শহিদ ওসমান হাদিকে কবি নজরুল ইসলামের পাশে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওসমান হাদির জানাজার নামাজ পড়াবেন তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ও ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের (এনএইচএ) সদস্য সচিব ডা. মো. আব্দুল আহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাদির জানাজার নামাজে অংশ নিতে জাতীয় সংসদ সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভিড় জমাচ্ছে। সকাল থেকে মানুষ এসে মিছিল তৈরি করছেন। বেলা ১২টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর ফার্মগেট, বিজয়স্মরণী ও আসাদগেটসহ আশপাশের এলাকা মানুষে ভরে গেছে। অংশগ্রহণকারীরা ‘আমরা সবাই হাদি হবো যুগে যুগে লড়ে যাবো’, ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’ ইত্যাদি স্লোগান দিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগের সময় চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে শহিদ হাদিকে গুলি করা হয়। মাথায় গুলি লাগার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, এরপর এভারকেয়ার হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
১৯ ডিসেম্বর দুপুর ২টা ৩ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে হাদির মরদেহ চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহবাহী ফ্লাইট অবতরণ করে।






































