ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেগম রোকেয়াকে কাফের ও মুরতাদ বললেন রাবি শিক্ষক

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 84

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্মদিনে দেশজুড়ে যখন নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে, ঠিক সেই সময় সামাজিক মাধ্যমে উসকানিমূলক মন্তব্য করে আলোচনায় আসলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বেগম রোকেয়ার একটি পোস্টার শেয়ার করে তাকে ‘মুরতাদ’ ও ‘কাফের’ বলে আখ্যা দেন। তাঁর এ মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

পোস্টে যুক্ত কার্ডটিতে রোকেয়ার বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে ধর্মীয় ব্যাখ্যার মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। মন্তব্যের ঘরে কেউ কেউ শিক্ষকের অবস্থানকে সমর্থন দিলেও অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একজন মন্তব্যকারী ক্ষমাপ্রার্থনার ভঙ্গিতে “সরি স্যার” লিখে প্রধান উপদেষ্টার একটি ছবি যুক্ত করেন, যেখানে তিনি ‘আমিই রোকেয়া’ ব্যানারের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন।

জানা যায়, ৫ ডিসেম্বরও একই শিক্ষক বেগম রোকেয়াকে কেন্দ্র করে আরেকটি ধর্মীয় বিশ্লেষণধর্মী পোস্ট করেছিলেন, যেখানে তাঁর লেখনী ও মতামত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রীয়ভাবে বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে নারী শিক্ষা ও অধিকার অগ্রযাত্রায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চারজন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শিক্ষক মাহমুদুল হাসান ২০০৯ সালে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন এবং ২০১৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে যোগ দেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বেগম রোকেয়াকে কাফের ও মুরতাদ বললেন রাবি শিক্ষক

সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্মদিনে দেশজুড়ে যখন নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে, ঠিক সেই সময় সামাজিক মাধ্যমে উসকানিমূলক মন্তব্য করে আলোচনায় আসলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বেগম রোকেয়ার একটি পোস্টার শেয়ার করে তাকে ‘মুরতাদ’ ও ‘কাফের’ বলে আখ্যা দেন। তাঁর এ মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

পোস্টে যুক্ত কার্ডটিতে রোকেয়ার বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে ধর্মীয় ব্যাখ্যার মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। মন্তব্যের ঘরে কেউ কেউ শিক্ষকের অবস্থানকে সমর্থন দিলেও অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একজন মন্তব্যকারী ক্ষমাপ্রার্থনার ভঙ্গিতে “সরি স্যার” লিখে প্রধান উপদেষ্টার একটি ছবি যুক্ত করেন, যেখানে তিনি ‘আমিই রোকেয়া’ ব্যানারের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন।

জানা যায়, ৫ ডিসেম্বরও একই শিক্ষক বেগম রোকেয়াকে কেন্দ্র করে আরেকটি ধর্মীয় বিশ্লেষণধর্মী পোস্ট করেছিলেন, যেখানে তাঁর লেখনী ও মতামত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রীয়ভাবে বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে নারী শিক্ষা ও অধিকার অগ্রযাত্রায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চারজন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শিক্ষক মাহমুদুল হাসান ২০০৯ সালে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন এবং ২০১৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে যোগ দেন।