ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীতে ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে দূরে থাকার ৭ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 72

ডাস্ট অ্যালার্জি (ধূলিকণা থেকে সৃষ্ট) অনেকের একটি সাধারণ সমস্যা, যা জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলতে পারে। ক্রমাগত হাঁচি, সর্দি, চোখ চুলকানো বা শ্বাসকষ্ট- এই সবই হতে পারে আপনার ঘরের ভেতরে থাকা অদৃশ্য ধূলিকণার কারসাজি।

তবে চিন্তার কিছু নেই। সঠিক লাইফস্টাইল এবং কিছু স্মার্ট অভ্যাস আপনার অ্যালার্জিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ডাস্ট অ্যালার্জির সঙ্গে মোকাবিলা করার কার্যকরী কৌশলগুলো।

১. ঘরের বিছানা, তোশক, কার্পেট এবং সোফার গদিতে লুকিয়ে থাকতে পারে একেবারে মাইক্রোস্কোপিক আকৃতির ডাস্ট মাইট। এরা অ্যালার্জির উদ্রেক করতে পারে। এর জন্য নিয়মিত রৌদ্রে দিতে হবে তোশক এবং গদি। গরম পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে বিছানার চাদর এবং বালিশের কভার।

২. বাড়ির স্যাঁতস্যাঁতে স্থানগুলোতে ছত্রাক বেশি থাকে, যেমন বাথরুম এবং স্টোররুম। বাতাসে ছড়ায় এমন ছত্রাক সৃষ্টি করতে পারে অ্যাজমার উপসর্গ এবং অ্যালার্জিক রাইনাইটিস। তাই বাড়ি স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে থাকার কারণগুলো দূর করতে হবে।

৩. স্যাঁতস্যাঁতে এলাকাগুলোতে বায়ু চলাচল বাড়াতে হবে।

৪. কোথাও পানি পড়ে থাকলে তা মুছে ভালোভাবে শুকিয়ে ফেলতে হবে।

৫. কার্পেটের নিচে, টাইলের মাঝে, শাওয়ার নেবার জায়গায় লুকিয়ে থাকে এসব ছত্রাক। এসব জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার করে শুকিয়ে রাখতে হবে।

৬. পোষা প্রাণীর ত্বক থেকে মরা কোষ উঠে আসে, যার কারণে হতে পারে অ্যালার্জি। এ কারণে বেডরুম এবং বেশি ব্যবহার করে হয় এমন সব ঘরগুলো থেকে দূরে রাখুন পোষা প্রাণীটিকে।

৭. শীতকালেও সপ্তাহে অন্তত একদিন পোষা প্রাণীটিকে গোসল করিয়ে দিন।

মনে রাখবেন, ডাস্ট অ্যালার্জি জীবনের একটি অংশ হতে পারে। কিন্তু আপনার জীবনযাত্রার নিয়ন্ত্রক হতে পারে না। সামান্য সচেতনতা এবং কিছু স্মার্ট পরিবর্তন আপনাকে দেবে একটি স্বচ্ছন্দ, হাঁচি-মুক্ত জীবন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শীতে ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে দূরে থাকার ৭ উপায়

সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

ডাস্ট অ্যালার্জি (ধূলিকণা থেকে সৃষ্ট) অনেকের একটি সাধারণ সমস্যা, যা জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলতে পারে। ক্রমাগত হাঁচি, সর্দি, চোখ চুলকানো বা শ্বাসকষ্ট- এই সবই হতে পারে আপনার ঘরের ভেতরে থাকা অদৃশ্য ধূলিকণার কারসাজি।

তবে চিন্তার কিছু নেই। সঠিক লাইফস্টাইল এবং কিছু স্মার্ট অভ্যাস আপনার অ্যালার্জিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ডাস্ট অ্যালার্জির সঙ্গে মোকাবিলা করার কার্যকরী কৌশলগুলো।

১. ঘরের বিছানা, তোশক, কার্পেট এবং সোফার গদিতে লুকিয়ে থাকতে পারে একেবারে মাইক্রোস্কোপিক আকৃতির ডাস্ট মাইট। এরা অ্যালার্জির উদ্রেক করতে পারে। এর জন্য নিয়মিত রৌদ্রে দিতে হবে তোশক এবং গদি। গরম পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে বিছানার চাদর এবং বালিশের কভার।

২. বাড়ির স্যাঁতস্যাঁতে স্থানগুলোতে ছত্রাক বেশি থাকে, যেমন বাথরুম এবং স্টোররুম। বাতাসে ছড়ায় এমন ছত্রাক সৃষ্টি করতে পারে অ্যাজমার উপসর্গ এবং অ্যালার্জিক রাইনাইটিস। তাই বাড়ি স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে থাকার কারণগুলো দূর করতে হবে।

৩. স্যাঁতস্যাঁতে এলাকাগুলোতে বায়ু চলাচল বাড়াতে হবে।

৪. কোথাও পানি পড়ে থাকলে তা মুছে ভালোভাবে শুকিয়ে ফেলতে হবে।

৫. কার্পেটের নিচে, টাইলের মাঝে, শাওয়ার নেবার জায়গায় লুকিয়ে থাকে এসব ছত্রাক। এসব জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার করে শুকিয়ে রাখতে হবে।

৬. পোষা প্রাণীর ত্বক থেকে মরা কোষ উঠে আসে, যার কারণে হতে পারে অ্যালার্জি। এ কারণে বেডরুম এবং বেশি ব্যবহার করে হয় এমন সব ঘরগুলো থেকে দূরে রাখুন পোষা প্রাণীটিকে।

৭. শীতকালেও সপ্তাহে অন্তত একদিন পোষা প্রাণীটিকে গোসল করিয়ে দিন।

মনে রাখবেন, ডাস্ট অ্যালার্জি জীবনের একটি অংশ হতে পারে। কিন্তু আপনার জীবনযাত্রার নিয়ন্ত্রক হতে পারে না। সামান্য সচেতনতা এবং কিছু স্মার্ট পরিবর্তন আপনাকে দেবে একটি স্বচ্ছন্দ, হাঁচি-মুক্ত জীবন।