ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিটিআরসি চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করেছে মোবাইল ব্যবসায়ীরা

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৮:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 85

বিটিআরসি চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করেছে মোবাইল ব্যবসায়ীরা

মোবাইল ব্যবসায়ীরা ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থার সংস্কারসহ কয়েকটি দাবিতে রোববার সকাল থেকেই আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভে নেমেছেন। ‘বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি’র ব্যানারে শত শত ব্যবসায়ী সকাল ১০টার দিকে অবস্থান নেন এবং রাত পর্যন্ত সেখানেই অবরোধ চালাতে থাকেন। ব্যবসায়ীদের অবরোধে সড়কের এক পাশের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়ে তীব্র যানজট দেখা দেয়।

বিক্ষোভের সময় বিটিআরসি চেয়ারম্যানসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ভবনের ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। সন্ধ্যার পর আগারগাঁও মোড় থেকে বিটিআরসি ভবন পর্যন্ত অন্তত চারটি স্থানে আগুন জ্বালান বিক্ষোভকারীরা।

এমবিসিবির সেক্রেটারি আবু সায়ীদ পিয়াস বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান মেলেনি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে দোকান বন্ধ রেখে রাস্তায় নেমেছেন।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ—এনইআইআর চালু হলে বিপুল সংখ্যক খুচরা ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সিন্ডিকেটের লাভ বাড়বে এবং গ্রাহক পর্যায়ে মোবাইল ফোনের দাম আরও বেড়ে যাবে। তাদের দাবি, এনইআইআর সংস্কার, সিন্ডিকেট প্রথা বাতিল এবং মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করা।

পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ যানবাহন ডাইভার্ট করে বিকল্প পথে চলাচলের ব্যবস্থা করেছে। তবুও আগারগাঁওয়ের গুরুত্বের কারণে আশপাশের সড়কে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

গত ৩০ নভেম্বরও ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রেখে কারওয়ান বাজার-পান্থপথ এলাকায় মানববন্ধন করেছিলেন। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর কার্যকর হলে অনিবন্ধিত, চুরি হওয়া বা অনুমোদনহীন মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে। এর আগে বড় ধরনের আন্দোলনে নামলেন ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিটিআরসি চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করেছে মোবাইল ব্যবসায়ীরা

সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৮:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

মোবাইল ব্যবসায়ীরা ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থার সংস্কারসহ কয়েকটি দাবিতে রোববার সকাল থেকেই আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভে নেমেছেন। ‘বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি’র ব্যানারে শত শত ব্যবসায়ী সকাল ১০টার দিকে অবস্থান নেন এবং রাত পর্যন্ত সেখানেই অবরোধ চালাতে থাকেন। ব্যবসায়ীদের অবরোধে সড়কের এক পাশের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়ে তীব্র যানজট দেখা দেয়।

বিক্ষোভের সময় বিটিআরসি চেয়ারম্যানসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ভবনের ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। সন্ধ্যার পর আগারগাঁও মোড় থেকে বিটিআরসি ভবন পর্যন্ত অন্তত চারটি স্থানে আগুন জ্বালান বিক্ষোভকারীরা।

এমবিসিবির সেক্রেটারি আবু সায়ীদ পিয়াস বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান মেলেনি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে দোকান বন্ধ রেখে রাস্তায় নেমেছেন।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ—এনইআইআর চালু হলে বিপুল সংখ্যক খুচরা ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সিন্ডিকেটের লাভ বাড়বে এবং গ্রাহক পর্যায়ে মোবাইল ফোনের দাম আরও বেড়ে যাবে। তাদের দাবি, এনইআইআর সংস্কার, সিন্ডিকেট প্রথা বাতিল এবং মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করা।

পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ যানবাহন ডাইভার্ট করে বিকল্প পথে চলাচলের ব্যবস্থা করেছে। তবুও আগারগাঁওয়ের গুরুত্বের কারণে আশপাশের সড়কে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

গত ৩০ নভেম্বরও ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রেখে কারওয়ান বাজার-পান্থপথ এলাকায় মানববন্ধন করেছিলেন। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর কার্যকর হলে অনিবন্ধিত, চুরি হওয়া বা অনুমোদনহীন মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে। এর আগে বড় ধরনের আন্দোলনে নামলেন ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা।