ঢাকা ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৮.২৯ শতাংশে

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:১১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 43

মূল্যস্ফীতি

নভেম্বরে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার আবারও বেড়ে ৮.২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা এক মাস আগের অক্টোবরে ছিল ৮.১৭ শতাংশ। সবজির মৌসুম হওয়া সত্ত্বেও খাদ্যখাতে মূল্য কমার পরিবর্তে সামান্য উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ৭ ডিসেম্বর প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবিএসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নভেম্বরে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৭.৩৬ শতাংশ। অক্টোবরে এই হার ছিল ৭.০৮ শতাংশ। যদিও গত বছরের একই সময়ে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল ১৩.৮০ শতাংশ—এ বছরের তুলনায় তা অনেক বেশি।

খাদ্যবহির্ভূত বা নন-ফুড খাতে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। নভেম্বরে নন-ফুড মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯.০৮ শতাংশে, যা অক্টোবরে ছিল ৯.১৩ শতাংশ। গত বছরের নভেম্বরে এই খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯.৩৯ শতাংশ।

সামগ্রিকভাবে দেখা যাচ্ছে, খাদ্যখাতের বাড়তি চাপ নভেম্বরে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি সামান্য বাড়িয়ে দিয়েছে, যদিও গত বছরের তুলনায় পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৮.২৯ শতাংশে

সর্বশেষ আপডেট ০৩:১১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

নভেম্বরে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার আবারও বেড়ে ৮.২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা এক মাস আগের অক্টোবরে ছিল ৮.১৭ শতাংশ। সবজির মৌসুম হওয়া সত্ত্বেও খাদ্যখাতে মূল্য কমার পরিবর্তে সামান্য উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ৭ ডিসেম্বর প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবিএসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নভেম্বরে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৭.৩৬ শতাংশ। অক্টোবরে এই হার ছিল ৭.০৮ শতাংশ। যদিও গত বছরের একই সময়ে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল ১৩.৮০ শতাংশ—এ বছরের তুলনায় তা অনেক বেশি।

খাদ্যবহির্ভূত বা নন-ফুড খাতে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। নভেম্বরে নন-ফুড মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯.০৮ শতাংশে, যা অক্টোবরে ছিল ৯.১৩ শতাংশ। গত বছরের নভেম্বরে এই খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯.৩৯ শতাংশ।

সামগ্রিকভাবে দেখা যাচ্ছে, খাদ্যখাতের বাড়তি চাপ নভেম্বরে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি সামান্য বাড়িয়ে দিয়েছে, যদিও গত বছরের তুলনায় পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল।