ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিজ বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধা দম্পতির গলা কাটা লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:২৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 68

নিজ বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধা দম্পতির গলা কাটা লাশ উদ্ধার

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের খিয়ারপাড়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তার স্ত্রী সুর্বনা রায় (৬০)–এর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) গভীর রাতে তাদের নিজ বাড়িতেই ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

রোববার ভোরে দীর্ঘসময় ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশী দীপক নামে এক ব্যক্তি বাড়ির মূল গেটের সামনে মই লাগিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। তিনি রান্নাঘরে সুর্বনা রায় এবং ডাইনিং রুমে যোগেশ চন্দ্র রায়কে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখলে স্থানীয়দের খবর দেন।

স্থানীয়দের মতে, যোগেশ চন্দ্র রায় রহিমাপুর নয়াহাট মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং অবসরের পর স্ত্রীসহ নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। তাদের দুই ছেলে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটে চাকরি করছেন।

এদিকে ভয়াবহ এই হত্যাকাণ্ডে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঠিক কী কারণে স্বামী–স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। তবে ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশের তদন্ত শুরু হয়েছে।

তারাগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু ছাইয়ুম জানিয়েছেন, দুজনকেই মাথায় আঘাত করার পর গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।

ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোনাববর হোসেন এবং উপজেলা পুলিশের কর্মকর্তারা বাড়িটি পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি রংপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নিজ বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধা দম্পতির গলা কাটা লাশ উদ্ধার

সর্বশেষ আপডেট ০২:২৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের খিয়ারপাড়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তার স্ত্রী সুর্বনা রায় (৬০)–এর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) গভীর রাতে তাদের নিজ বাড়িতেই ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

রোববার ভোরে দীর্ঘসময় ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশী দীপক নামে এক ব্যক্তি বাড়ির মূল গেটের সামনে মই লাগিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। তিনি রান্নাঘরে সুর্বনা রায় এবং ডাইনিং রুমে যোগেশ চন্দ্র রায়কে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখলে স্থানীয়দের খবর দেন।

স্থানীয়দের মতে, যোগেশ চন্দ্র রায় রহিমাপুর নয়াহাট মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং অবসরের পর স্ত্রীসহ নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। তাদের দুই ছেলে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটে চাকরি করছেন।

এদিকে ভয়াবহ এই হত্যাকাণ্ডে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঠিক কী কারণে স্বামী–স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। তবে ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশের তদন্ত শুরু হয়েছে।

তারাগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু ছাইয়ুম জানিয়েছেন, দুজনকেই মাথায় আঘাত করার পর গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।

ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোনাববর হোসেন এবং উপজেলা পুলিশের কর্মকর্তারা বাড়িটি পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি রংপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।