ঢাকা ০১:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পাবেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 139

তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তার ছেলেমেয়ে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার গুঞ্জন উঠলেও, সম্প্রতি এক পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন যে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তার ‘একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়’। নিরাপত্তাহীনতাকেও দেশের ফেরার সম্ভাব্য কারণে হিসেবে আনা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানিয়েছে, দেশে প্রবেশের পর তারেক রহমান সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পাবেন। বিমানবন্দর থেকে তিনি স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) দ্বারা সুরক্ষিত হবেন। সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত সময়মতো নেওয়া হবে।

বর্তমানে দেশে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বা সমমর্যাদার ব্যক্তিরা এ ধরনের নিরাপত্তা পান। সম্প্রতি খালেদা জিয়াকেও ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে এসএসএফ নিরাপত্তা প্রদান করা হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমানের দেশে ফেরার সময় কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই এবং তার ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

সূত্রের খবর, দেশে ফেরার গুঞ্জন থাকলেও ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি কোনো উদ্যোগ নেননি। খালেদা জিয়ার কিছু মেডিকেল টেস্টের ফল নেতিবাচক হলে বিদেশে নেওয়ার সক্ষমতা যাচাই করা হবে। যদি সম্ভব না হয়, তারেক রহমান তাৎক্ষণিক দেশে ফিরে আসতে পারেন। তবে তিনি ডিসেম্বরের ১১ তারিখের মধ্যে দেশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেবেন। পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে শিগগিরই তার দেশে ফেরা সম্ভব হবে।

বর্তমানে লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানের বাংলাদেশি পাসপোর্ট মেয়াদ শেষ। দেশে ফিরতে তিনি নতুন পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস ব্যবহার করতে হবে। সরকার জানিয়েছে, তিনি চাইলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা যাবে, যদিও তিনি এখন পর্যন্ত তা চায়নি।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, দেশে কারো নিরাপত্তার শঙ্কা নেই। তবে বিশেষ নিরাপত্তার প্রয়োজন হলে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বাংলাদেশে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পাবেন তারেক রহমান

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তার ছেলেমেয়ে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার গুঞ্জন উঠলেও, সম্প্রতি এক পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন যে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তার ‘একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়’। নিরাপত্তাহীনতাকেও দেশের ফেরার সম্ভাব্য কারণে হিসেবে আনা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানিয়েছে, দেশে প্রবেশের পর তারেক রহমান সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পাবেন। বিমানবন্দর থেকে তিনি স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) দ্বারা সুরক্ষিত হবেন। সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত সময়মতো নেওয়া হবে।

বর্তমানে দেশে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বা সমমর্যাদার ব্যক্তিরা এ ধরনের নিরাপত্তা পান। সম্প্রতি খালেদা জিয়াকেও ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে এসএসএফ নিরাপত্তা প্রদান করা হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমানের দেশে ফেরার সময় কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই এবং তার ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

সূত্রের খবর, দেশে ফেরার গুঞ্জন থাকলেও ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি কোনো উদ্যোগ নেননি। খালেদা জিয়ার কিছু মেডিকেল টেস্টের ফল নেতিবাচক হলে বিদেশে নেওয়ার সক্ষমতা যাচাই করা হবে। যদি সম্ভব না হয়, তারেক রহমান তাৎক্ষণিক দেশে ফিরে আসতে পারেন। তবে তিনি ডিসেম্বরের ১১ তারিখের মধ্যে দেশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেবেন। পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে শিগগিরই তার দেশে ফেরা সম্ভব হবে।

বর্তমানে লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানের বাংলাদেশি পাসপোর্ট মেয়াদ শেষ। দেশে ফিরতে তিনি নতুন পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস ব্যবহার করতে হবে। সরকার জানিয়েছে, তিনি চাইলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা যাবে, যদিও তিনি এখন পর্যন্ত তা চায়নি।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, দেশে কারো নিরাপত্তার শঙ্কা নেই। তবে বিশেষ নিরাপত্তার প্রয়োজন হলে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।