ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফের দাম্পত্যে ফিরলেন আবু ত্বহা ও সাবিকুন নাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 57

ফের দাম্পত্যে ফিরলেন আবু ত্বহা ও সাবিকুন নাহার

ইসলামিক বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও তার সাবেক স্ত্রী সাবিকুন নাহার আবারও বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। গত ২১ অক্টোবর তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে তারা আবার একসঙ্গে নতুন জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) নিজের সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাবিকুন নাহার।

তিনি লেখেন, পৃথিবীর জীবন খুবই অস্থায়ী, আর শেষ বিচারে আল্লাহর সন্তুষ্টিই সবচেয়ে বড় সাফল্য। সেই ভাবনা থেকেই তাদের পুনর্মিলনের সিদ্ধান্ত সহজ হয়েছে বলে জানান তিনি।

সন্তানদের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন সাবিকুন নাহার। তিনি বলেন, ছোট আয়িশা প্রায়ই বাবার কথা জিজ্ঞেস করত— “বাবা যাব?”, “বাবা গাড়ি?”, “বাবা কই?”— এসব প্রশ্নের ভার সহ্য করা কঠিন হয়ে উঠেছিল। একইভাবে ছেলে উসমানও মায়ের অভাব অনুভব করছিল। সন্তানদের মানসিক অবস্থা তাদের দু’জনকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করে।

বিচ্ছেদের সময় যে ভুল-বোঝাবুঝি, অভিমান ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তা নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন তিনি। জানান, কিছু ভুল তাদের নিজেদের ছিল, কিছু ভুল বোঝানো হয়েছিল, আবার শয়তানের প্ররোচনাও ছিল। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছিল।

তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দু’জনই বুঝতে পারেন, তাদের গন্তব্য একসঙ্গেই নির্ধারিত ছিল। নিজেদের ভুল উপলব্ধি করে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে তারা আবার সংসার জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন।

সাবিকুন নাহার লিখেন, “উসমান ও আয়িশা তাদের বাবা–মাকে আবার একসঙ্গে পেয়েছে—এটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় সুখ।”

তিনি শেষ করেন আলহামদুলিল্লাহ বলে, নতুন জীবনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফের দাম্পত্যে ফিরলেন আবু ত্বহা ও সাবিকুন নাহার

সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

ইসলামিক বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও তার সাবেক স্ত্রী সাবিকুন নাহার আবারও বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। গত ২১ অক্টোবর তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে তারা আবার একসঙ্গে নতুন জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) নিজের সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাবিকুন নাহার।

তিনি লেখেন, পৃথিবীর জীবন খুবই অস্থায়ী, আর শেষ বিচারে আল্লাহর সন্তুষ্টিই সবচেয়ে বড় সাফল্য। সেই ভাবনা থেকেই তাদের পুনর্মিলনের সিদ্ধান্ত সহজ হয়েছে বলে জানান তিনি।

সন্তানদের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন সাবিকুন নাহার। তিনি বলেন, ছোট আয়িশা প্রায়ই বাবার কথা জিজ্ঞেস করত— “বাবা যাব?”, “বাবা গাড়ি?”, “বাবা কই?”— এসব প্রশ্নের ভার সহ্য করা কঠিন হয়ে উঠেছিল। একইভাবে ছেলে উসমানও মায়ের অভাব অনুভব করছিল। সন্তানদের মানসিক অবস্থা তাদের দু’জনকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করে।

বিচ্ছেদের সময় যে ভুল-বোঝাবুঝি, অভিমান ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তা নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন তিনি। জানান, কিছু ভুল তাদের নিজেদের ছিল, কিছু ভুল বোঝানো হয়েছিল, আবার শয়তানের প্ররোচনাও ছিল। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছিল।

তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দু’জনই বুঝতে পারেন, তাদের গন্তব্য একসঙ্গেই নির্ধারিত ছিল। নিজেদের ভুল উপলব্ধি করে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে তারা আবার সংসার জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন।

সাবিকুন নাহার লিখেন, “উসমান ও আয়িশা তাদের বাবা–মাকে আবার একসঙ্গে পেয়েছে—এটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় সুখ।”

তিনি শেষ করেন আলহামদুলিল্লাহ বলে, নতুন জীবনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে।