ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কারামুক্ত হলেন ঢাবি অধ্যাপক কার্জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / 83

শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) মুক্তি পাওয়ার আগে, ২৪ নভেম্বর হাইকোর্ট তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিল।

কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক জান্নাত-উল ফরহাদ জানিয়েছেন, জামিন-সংক্রান্ত আদালতের আদেশের কপি পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সন্ধ্যার দিকে অধ্যাপক কার্জন কারাগার থেকে মুক্তি পান।

সূত্র জানায়, ২৯ আগস্ট শাহবাগ থানার এসআই আমিরুল ইসলামের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকার আদালত ১৮ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই তালিকায় অধ্যাপক কার্জনের পাশাপাশি ছিলেন সাবেক পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী এবং সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম। লতিফ সিদ্দিকী ও মঞ্জুরুল আলম ইতিমধ্যে হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেয়ার সময় হাইকোর্ট কার্জনের করা জামিন আবেদনের শুনানি শেষে রুল জারি করে জানতে চেয়েছিল, কেন এই মামলায় তাকে স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না। বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা ও বিচারপতি রেজাউল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কারামুক্ত হলেন ঢাবি অধ্যাপক কার্জন

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) মুক্তি পাওয়ার আগে, ২৪ নভেম্বর হাইকোর্ট তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিল।

কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক জান্নাত-উল ফরহাদ জানিয়েছেন, জামিন-সংক্রান্ত আদালতের আদেশের কপি পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সন্ধ্যার দিকে অধ্যাপক কার্জন কারাগার থেকে মুক্তি পান।

সূত্র জানায়, ২৯ আগস্ট শাহবাগ থানার এসআই আমিরুল ইসলামের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকার আদালত ১৮ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই তালিকায় অধ্যাপক কার্জনের পাশাপাশি ছিলেন সাবেক পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী এবং সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম। লতিফ সিদ্দিকী ও মঞ্জুরুল আলম ইতিমধ্যে হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেয়ার সময় হাইকোর্ট কার্জনের করা জামিন আবেদনের শুনানি শেষে রুল জারি করে জানতে চেয়েছিল, কেন এই মামলায় তাকে স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না। বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা ও বিচারপতি রেজাউল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।