ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোতে চলাচল, তিন যুগেও হয়নি ছোট্ট সেতু

নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / 36

ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোতে চলাচল, তিন যুগেও হয়নি ছোট্ট সেতু

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সাহেবের চর গ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে সাহেবেরচর হাজীবাড়ী প্রান্তে একটি সেতুর অভাবে হাজারো কৃষক ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে পড়ছে।

উপজেলার সাহেবেরচর গ্রামের পশ্চিম পাশে ব্রহ্মপুত্র নদ সংলগ্ন প্রায় ৫০০ একর আবাদি জমি রয়েছে। এখানকার কৃষকরা মাঠে যাতায়াতের জন্য ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী বা প্রাচীন খাল পার হতে বাধ্য। ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার খালটি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরের জিনারী ইউনিয়নের চরহাজীপুর, চরকাটিহারী হয়ে সিদলা ইউনিয়নের সাহেবেরচর গ্রামে প্রবেশ করে আবার ব্রহ্মপুত্রে মিলিত হয়।

খালটি অধিকাংশ সময়ই জলমগ্ন থাকার কারণে গ্রামবাসীকে বছরের পর বছর পারাপারে বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করতে হয়। এতে শিক্ষার্থীদের জামা ভিজে যায়, গরু-ছাগল নিয়ে মাঠে যাওয়া কঠিন হয় এবং ফসল তোলার সময়ও সমস্যার মুখে পড়তে হয়। পারাপারের ঝুঁকির কারণে মাঠে কাজের লোকও পাওয়া যায় না।

স্থানীয়রা জানান, বহুবার উপজেলা কর্মকর্তারা এসে মাপজোক করেছেন, তবু কোনো সেতু নির্মাণ হয়নি। বাঁশের সাঁকোতে চলাচলে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন সময় মিডিয়ায় দূর্ভোগের সংবাদ প্রকাশিত হলেও এখনও সমস্যা সমাধান হয়নি।

গ্রামবাসী উল্লেখ করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা নানা আশ্বাস দেন, কিন্তু নির্বাচনের পর দেখা মেলে না। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও জনজীবনের কষ্ট কমেনি।

হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাজী নাহিদ ইভা বলেন, বিষয়টি এখন পর্যন্ত আমাকে জানানো হয়নি। সাংবাদিকের মাধ্যমে অবস্থা জানতে পেরে তিনি জানান, নিজেই খোঁজ-খবর নেবেন এবং ব্রিজ নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোতে চলাচল, তিন যুগেও হয়নি ছোট্ট সেতু

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সাহেবের চর গ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে সাহেবেরচর হাজীবাড়ী প্রান্তে একটি সেতুর অভাবে হাজারো কৃষক ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে পড়ছে।

উপজেলার সাহেবেরচর গ্রামের পশ্চিম পাশে ব্রহ্মপুত্র নদ সংলগ্ন প্রায় ৫০০ একর আবাদি জমি রয়েছে। এখানকার কৃষকরা মাঠে যাতায়াতের জন্য ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী বা প্রাচীন খাল পার হতে বাধ্য। ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার খালটি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরের জিনারী ইউনিয়নের চরহাজীপুর, চরকাটিহারী হয়ে সিদলা ইউনিয়নের সাহেবেরচর গ্রামে প্রবেশ করে আবার ব্রহ্মপুত্রে মিলিত হয়।

খালটি অধিকাংশ সময়ই জলমগ্ন থাকার কারণে গ্রামবাসীকে বছরের পর বছর পারাপারে বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করতে হয়। এতে শিক্ষার্থীদের জামা ভিজে যায়, গরু-ছাগল নিয়ে মাঠে যাওয়া কঠিন হয় এবং ফসল তোলার সময়ও সমস্যার মুখে পড়তে হয়। পারাপারের ঝুঁকির কারণে মাঠে কাজের লোকও পাওয়া যায় না।

স্থানীয়রা জানান, বহুবার উপজেলা কর্মকর্তারা এসে মাপজোক করেছেন, তবু কোনো সেতু নির্মাণ হয়নি। বাঁশের সাঁকোতে চলাচলে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন সময় মিডিয়ায় দূর্ভোগের সংবাদ প্রকাশিত হলেও এখনও সমস্যা সমাধান হয়নি।

গ্রামবাসী উল্লেখ করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা নানা আশ্বাস দেন, কিন্তু নির্বাচনের পর দেখা মেলে না। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও জনজীবনের কষ্ট কমেনি।

হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাজী নাহিদ ইভা বলেন, বিষয়টি এখন পর্যন্ত আমাকে জানানো হয়নি। সাংবাদিকের মাধ্যমে অবস্থা জানতে পেরে তিনি জানান, নিজেই খোঁজ-খবর নেবেন এবং ব্রিজ নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।