ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুর কারাগারে থুথু ফেলা নিয়ে সংঘর্ষে এক হাজতির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫০:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / 60

জামালপুর কারাগারে থুথু ফেলা নিয়ে সংঘর্ষে এক হাজতির মৃত্যু

জামালপুর জেলা কারাগারে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই হাজতির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এক বন্দির মৃত্যু হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. পাগলা হযরত (২৫)।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে কারাগারের ভেতরেই এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।

নিহত পাগলা হযরত দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চেংটিমারি গ্রামের ইমান হোসেনের ছেলে। তিনি বকশীগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলা নং ১৪, জিআর মামলা ২৪২ (২)-২৫–এর আসামি ছিলেন। সংঘর্ষে জড়িত অপর হাজতির নাম মো. রহিদুর মিয়া (৪০), যিনি বকশীগঞ্জের কামালপুর বালুরগাঁও এলাকার মৃত ছামিউল হকের ছেলে।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কাশি ও থুথু ফেলা নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রহিদুর মিয়া শৌচাগারের দরজার একটি কাঠের টুকরো তুলে পাগলা হযরতের মাথায় একাধিকবার আঘাত করেন। সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কারারক্ষী ও অন্যান্য হাজতিরা তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।

জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান; সেখান থেকে পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।

জামালপুর জেলা কারাগারের জেলার লিপি রানী সাহা জানান, মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অপর হাজতি রহিদুর মিয়া এখনও জামালপুর কারাগার হেফাজতে আছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জামালপুর কারাগারে থুথু ফেলা নিয়ে সংঘর্ষে এক হাজতির মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫০:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

জামালপুর জেলা কারাগারে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই হাজতির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এক বন্দির মৃত্যু হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. পাগলা হযরত (২৫)।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে কারাগারের ভেতরেই এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।

নিহত পাগলা হযরত দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চেংটিমারি গ্রামের ইমান হোসেনের ছেলে। তিনি বকশীগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলা নং ১৪, জিআর মামলা ২৪২ (২)-২৫–এর আসামি ছিলেন। সংঘর্ষে জড়িত অপর হাজতির নাম মো. রহিদুর মিয়া (৪০), যিনি বকশীগঞ্জের কামালপুর বালুরগাঁও এলাকার মৃত ছামিউল হকের ছেলে।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কাশি ও থুথু ফেলা নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রহিদুর মিয়া শৌচাগারের দরজার একটি কাঠের টুকরো তুলে পাগলা হযরতের মাথায় একাধিকবার আঘাত করেন। সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কারারক্ষী ও অন্যান্য হাজতিরা তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।

জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান; সেখান থেকে পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।

জামালপুর জেলা কারাগারের জেলার লিপি রানী সাহা জানান, মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অপর হাজতি রহিদুর মিয়া এখনও জামালপুর কারাগার হেফাজতে আছেন।