ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছাবে: এনসিটিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৯:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 102

শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছাবে: এনসিটিবি

নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই দেশের সব শিক্ষার্থীর হাতে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে জানানো হয়, নির্ধারিত সময়ে পাঠ্যবই বিতরণে কোনো জটিলতা তৈরি হওয়ার সুযোগ নেই। সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, এনসিটিবি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন অধিদপ্তর এবং মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় জানানো হয়—

প্রিন্টিং, বাঁধাই ও বিতরণের প্রতিটি ধাপেই কঠোর নজরদারি চলছে।

বই পরিবহন ও সংরক্ষণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে সপ্তাহের ছুটির দিনেও বই গ্রহণের ব্যবস্থা করা হবে।

পাঠ্যবই গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগাম জানানোর বিষয়ে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সরবরাহকৃত বইয়ের বিল দ্রুত পরিশোধের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকরা জানান, প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে তারা সময়মতো মানসম্মত বই সরবরাহ করতে পারবেন।

এনসিটিবি জানায়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিতে তারা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বইয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিজস্ব তদারকির পাশাপাশি নিরপেক্ষ ইন্সপেকশন ফার্ম এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বিশেষ মনিটরিং টিম মাঠপর্যায়ে নিয়মিত কাজ করছে।

আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মুদ্রণ ও বিতরণ নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

সম্প্রতি শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকদের মতবিনিময় সভায় কয়েকটি প্রতিবন্ধকতার বিষয় উঠে আসে। এরপর ১৮ নভেম্বর বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের এক হাজারেরও বেশি কর্মকর্তার সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় এসব সমস্যার দ্রুত সমাধানে নির্দেশনা দেন শিক্ষা উপদেষ্টা।

এনসিটিবি আশা করছে, সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত সহযোগিতায় শিক্ষাবর্ষের শুরুতে কোনো শিক্ষার্থী বইবিহীন থাকবে না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছাবে: এনসিটিবি

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৯:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই দেশের সব শিক্ষার্থীর হাতে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে জানানো হয়, নির্ধারিত সময়ে পাঠ্যবই বিতরণে কোনো জটিলতা তৈরি হওয়ার সুযোগ নেই। সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, এনসিটিবি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন অধিদপ্তর এবং মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় জানানো হয়—

প্রিন্টিং, বাঁধাই ও বিতরণের প্রতিটি ধাপেই কঠোর নজরদারি চলছে।

বই পরিবহন ও সংরক্ষণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে সপ্তাহের ছুটির দিনেও বই গ্রহণের ব্যবস্থা করা হবে।

পাঠ্যবই গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগাম জানানোর বিষয়ে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সরবরাহকৃত বইয়ের বিল দ্রুত পরিশোধের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকরা জানান, প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে তারা সময়মতো মানসম্মত বই সরবরাহ করতে পারবেন।

এনসিটিবি জানায়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিতে তারা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বইয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিজস্ব তদারকির পাশাপাশি নিরপেক্ষ ইন্সপেকশন ফার্ম এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বিশেষ মনিটরিং টিম মাঠপর্যায়ে নিয়মিত কাজ করছে।

আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মুদ্রণ ও বিতরণ নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

সম্প্রতি শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকদের মতবিনিময় সভায় কয়েকটি প্রতিবন্ধকতার বিষয় উঠে আসে। এরপর ১৮ নভেম্বর বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের এক হাজারেরও বেশি কর্মকর্তার সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় এসব সমস্যার দ্রুত সমাধানে নির্দেশনা দেন শিক্ষা উপদেষ্টা।

এনসিটিবি আশা করছে, সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত সহযোগিতায় শিক্ষাবর্ষের শুরুতে কোনো শিক্ষার্থী বইবিহীন থাকবে না।