সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি মিলন ও স্ত্রী লিপির সম্পত্তি ক্রোক
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
- / 131
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম সিএমপির সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সাবেক উপকমিশনার হামিদুল আলম মিলন এবং তার স্ত্রী, মেধা এন্টারপ্রাইজের মালিক শাহজাদী আলম লিপির জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
গত মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির দুদকের দুটি পৃথক আবেদন মঞ্জুর করে এ নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী ক্রোক করা সম্পত্তি হস্তান্তর বা স্থানান্তর করা যাবে না। জেলা রেজিস্ট্রার, সাবরেজিস্ট্রার এবং বিভিন্ন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)-দের এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশ পাঠানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) আদালতের আদেশ কার্যকর করতে দুদকের বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর সম্পত্তি ক্রোক ও রিসিভার নিয়োগের আবেদন করেন। আদালতের নির্দেশে বগুড়া, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের রিসিভার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই আদেশ শাহজাদী আলম লিপির সম্পত্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
হামিদুল আলম বগুড়ার সারিয়াকান্দির তাজুরপাড়ার বাসিন্দা, আর তার স্ত্রী শাহজাদী আলম লিপি সেখানকার প্রয়াত ডা. শহীদুল্লাহ মণ্ডলের কন্যা। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, লিপি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি–সোনাতলা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন। নির্বাচনী প্রচারণায় হামিদুল আলম সরকারি গাড়ি ব্যবহার করায় তাকে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। পরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি পাল্টে গেলে লিপির বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং মিলন আত্মগোপনে চলে যান।
এদিকে বগুড়ায় ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেখিয়ে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় গত সোমবার (১৭ নভেম্বর) হামিদুল আলম মিলন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বিচারক মেহেদী হাসান তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
































