ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাঙামাটিতে ৩৬ ঘণ্টার হরতাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 84

সংগৃহীত ছবি

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে শিক্ষক নিয়োগে কোটা নয়, মেধাকে প্রাধান্য দেয়ার দাবিতে ঢাকা ৩৬ ঘণ্টার হরতাল চলছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ছয়টা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত হরতাল চলবে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে কোটাবিরোধী ঐক্যজোটের ডাকা হরতাল শুরু হয়েছে। হরতালের সমর্থনে শহরের রিজার্ভ বাজার, তবলছড়ি, বনরূপাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে টায়ার জ্বালিয়ে এবং সড়কে গাছের গুড়ি ফেলে পিকেটিং করছে আন্দোলনকারীরা। এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

হরতালের কারণে শহরের একমাত্র গণপরিবহন, সিএনজি অটোরিকশাসহ শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। রাঙামাটির সঙ্গে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যাচ্ছে না, বন্ধ রয়েছে আন্তঃজেলা বাস চলাচল ও জেলার ৬ উপজেলার সঙ্গে নৌপথ যোগাযোগ। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

হরতালের সমর্থকরা অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়োগে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হলেও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ নিয়োগে এই আইন মানছে না।

এর আগে, বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন কোটাবিরোধী ঐক্যজোটের নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী ইব্রাহিম রুবেল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠনের নেতা রাকিব হাসান, শিক্ষার্থী নুরুল আলম, রুবেল হোসেন, রেজাউল করিম রাজু ও ইমাম হোসাইন প্রমুখ।

নেতারা অভিযোগ করেন, ‘রাঙামাটি জেলা পরিষদকে কোটাবৈষম্য বাদ দিয়ে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদানের জন্য আমরা শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানানোর পরও কোনো ধরনের সমাধান মেলেনি। তাই বাধ্য হয়ে হরতালের মতো কর্মসূচি দিয়েছি।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রাঙামাটিতে ৩৬ ঘণ্টার হরতাল

সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে শিক্ষক নিয়োগে কোটা নয়, মেধাকে প্রাধান্য দেয়ার দাবিতে ঢাকা ৩৬ ঘণ্টার হরতাল চলছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ছয়টা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত হরতাল চলবে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে কোটাবিরোধী ঐক্যজোটের ডাকা হরতাল শুরু হয়েছে। হরতালের সমর্থনে শহরের রিজার্ভ বাজার, তবলছড়ি, বনরূপাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে টায়ার জ্বালিয়ে এবং সড়কে গাছের গুড়ি ফেলে পিকেটিং করছে আন্দোলনকারীরা। এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

হরতালের কারণে শহরের একমাত্র গণপরিবহন, সিএনজি অটোরিকশাসহ শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। রাঙামাটির সঙ্গে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যাচ্ছে না, বন্ধ রয়েছে আন্তঃজেলা বাস চলাচল ও জেলার ৬ উপজেলার সঙ্গে নৌপথ যোগাযোগ। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

হরতালের সমর্থকরা অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়োগে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হলেও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ নিয়োগে এই আইন মানছে না।

এর আগে, বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন কোটাবিরোধী ঐক্যজোটের নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী ইব্রাহিম রুবেল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠনের নেতা রাকিব হাসান, শিক্ষার্থী নুরুল আলম, রুবেল হোসেন, রেজাউল করিম রাজু ও ইমাম হোসাইন প্রমুখ।

নেতারা অভিযোগ করেন, ‘রাঙামাটি জেলা পরিষদকে কোটাবৈষম্য বাদ দিয়ে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদানের জন্য আমরা শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানানোর পরও কোনো ধরনের সমাধান মেলেনি। তাই বাধ্য হয়ে হরতালের মতো কর্মসূচি দিয়েছি।’