ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একটানে জালে উঠল ২০০ মণ ইলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরগুনা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / 67

একটানে জালে উঠল ২০০ মণ ইলিশ

বঙ্গোপসাগরে এক টানে ২০০ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে এফবি রাইসা নামের ট্রলারে। ধরা মাছগুলো বরগুনার পাথরঘাটার বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ২৬ হাজার টাকা প্রতি মণ দরে ৫২ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

বিক্রি কার্যক্রমটি বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে সাইফ ফিশ আড়তে সম্পন্ন হয়। মাছগুলো ১৭ নভেম্বর কুয়াকাটা থেকে ৭০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে।

জানা গেছে, ১৪ নভেম্বর ট্রলারটি পাথরঘাটা থেকে ১৭ জন জেলের সঙ্গে সমুদ্রে যায়। শুরুতে কয়েকদিনে মাত্র ৪০০ পিস মাছ ধরা পড়লেও, ১৭ নভেম্বর বিকেলে এক টানে প্রায় ১৮ হাজার ইলিশ ধরা পড়ে। মাছগুলোর ওজন ৩০০-৪০০ গ্রাম।

মাঝি মাসুদ বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে মাছ না পাওয়ায় জীবনযাপন কষ্টকর হয়ে উঠেছিল। হঠাৎ এত মাছ ধরা পড়ায় আমরা অনেক খুশি।”

ট্রলারের মালিক রুবেল জানান, “অনেকদিন ধরে সাগরে মাছ কম ধরা পড়ায় লোকসান হচ্ছে। এবার বিক্রি করে তা কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারব।”

আড়তদার মোস্তফা আলম বলেন, “আমার আড়তে মাছগুলো বিক্রি হয়েছে। জেলেরা মাছ পাচ্ছে শুনে খুব খুশি লাগছে।”

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, “দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ দেখা মেলেনি। হঠাৎ এক ট্রলারে ২০০ মণ ইলিশ পাওয়ায় আমরা সবাই খুশি।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

একটানে জালে উঠল ২০০ মণ ইলিশ

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে এক টানে ২০০ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে এফবি রাইসা নামের ট্রলারে। ধরা মাছগুলো বরগুনার পাথরঘাটার বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ২৬ হাজার টাকা প্রতি মণ দরে ৫২ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

বিক্রি কার্যক্রমটি বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে সাইফ ফিশ আড়তে সম্পন্ন হয়। মাছগুলো ১৭ নভেম্বর কুয়াকাটা থেকে ৭০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে।

জানা গেছে, ১৪ নভেম্বর ট্রলারটি পাথরঘাটা থেকে ১৭ জন জেলের সঙ্গে সমুদ্রে যায়। শুরুতে কয়েকদিনে মাত্র ৪০০ পিস মাছ ধরা পড়লেও, ১৭ নভেম্বর বিকেলে এক টানে প্রায় ১৮ হাজার ইলিশ ধরা পড়ে। মাছগুলোর ওজন ৩০০-৪০০ গ্রাম।

মাঝি মাসুদ বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে মাছ না পাওয়ায় জীবনযাপন কষ্টকর হয়ে উঠেছিল। হঠাৎ এত মাছ ধরা পড়ায় আমরা অনেক খুশি।”

ট্রলারের মালিক রুবেল জানান, “অনেকদিন ধরে সাগরে মাছ কম ধরা পড়ায় লোকসান হচ্ছে। এবার বিক্রি করে তা কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারব।”

আড়তদার মোস্তফা আলম বলেন, “আমার আড়তে মাছগুলো বিক্রি হয়েছে। জেলেরা মাছ পাচ্ছে শুনে খুব খুশি লাগছে।”

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, “দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ দেখা মেলেনি। হঠাৎ এক ট্রলারে ২০০ মণ ইলিশ পাওয়ায় আমরা সবাই খুশি।”