ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনযোগ্য প্রশ্ন প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:২২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / 81

গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনযোগ্য প্রশ্ন প্রকাশ

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই ঘোষণা দেন।

ভাষণের আগে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন করা হয়। পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই আদেশ জারি করেন।

গণভোটে চারটি বিষয়কে একত্রিত করে একটিমাত্র প্রশ্নে ভোট নেওয়া হবে। ভোটে জনগণ ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ নির্বাচন করে মতামত জানাবেন। ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে আগামী সংসদ হবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট, এবং দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যের উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনযোগ্য প্রশ্ন প্রকাশ করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, জনগণকে জিজ্ঞেস করা হবে—“আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং এতে লিপিবদ্ধ নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?”

প্রস্তাবিত চারটি বিষয়:
১. নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
২. আগামী সংসদ দুই কক্ষ বিশিষ্ট হবে; উচ্চকক্ষে ১০০ সদস্য থাকবেন এবং সংবিধান সংশোধনের জন্য উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ অনুমোদন প্রয়োজন।
৩. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকার-সহ ৩০টি প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হবে।
৪. জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনযোগ্য প্রশ্ন প্রকাশ

সর্বশেষ আপডেট ০২:২২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই ঘোষণা দেন।

ভাষণের আগে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন করা হয়। পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই আদেশ জারি করেন।

গণভোটে চারটি বিষয়কে একত্রিত করে একটিমাত্র প্রশ্নে ভোট নেওয়া হবে। ভোটে জনগণ ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ নির্বাচন করে মতামত জানাবেন। ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে আগামী সংসদ হবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট, এবং দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যের উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনযোগ্য প্রশ্ন প্রকাশ করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, জনগণকে জিজ্ঞেস করা হবে—“আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং এতে লিপিবদ্ধ নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?”

প্রস্তাবিত চারটি বিষয়:
১. নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
২. আগামী সংসদ দুই কক্ষ বিশিষ্ট হবে; উচ্চকক্ষে ১০০ সদস্য থাকবেন এবং সংবিধান সংশোধনের জন্য উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ অনুমোদন প্রয়োজন।
৩. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকার-সহ ৩০টি প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হবে।
৪. জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।